স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্য সভাপতির উপরে হামলার বিরুদ্ধে পথে নামার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি৷ সেই মতোই শুক্রবার জেলার পাশাপাশি সমগ্র তিলোত্তমা জুড়ে আন্দোলনে নামল গেরুয়া শিবির৷ কলকাতা উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র বিক্ষোভ, পথ অবরোধ করল বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।

দক্ষিণ কলকাতার হাজরা মোড়ে বিক্ষোভ, পথ অবরোধে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা ও মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারের হামলার জন্য রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা৷ তিনি জানিয়েছেন, এই হামলা তৃণমূলের অঙ্গুলিহেলনেই ঘটছে। টিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রাহুল সিনহা৷

Advertisement

বিজেপি-র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে হাইকোর্টের বর্তমান কোনও বিচারপতি তত্ত্বাবধানে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। শাস্তি দিতে হবে বৃহস্পতিবারের হামলাকারীদের৷ রাজ্য সরকার বরাবর দাবি করে আসছে পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে৷ রাজ্যের সেই দাবিকেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে পাল্টা চাল হিসাবে ব্যবহার করেন রাহুল সিনহা৷ তিনি বলেন, ‘তৃণমূল দাবী করে পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে। কিন্তু এটাই কী তার নমুনা। পাহাড়ে যদি সত্যিই শান্তি ফিরত তা হলে এমনটা হত না।’

হাজরার প্রতিবাদ সভা থেকেই তৃণমূলকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন রাজ্য বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের সাংসদরা যেন মনে রাখে তাদেরও দিল্লি যেতে হবে।’ দক্ষিণের মতোই উত্তর কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোডেও অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিল রাজ্য বিজেপি৷ রাজ্যে নেতৃত্ব শমীক ভট্টাচার্য, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেবশ্রী চৌধুরীর নেতৃত্বে চলে বিক্ষোভ৷ সেন্ট্রাল এভিনিউ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে মহাত্মা গান্ধী ক্রশিংয়ে এসে রাস্তা অবরোধ করে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।

শুক্রবার বিকালে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল৷ রাজ্যপালের কাছে বৃহস্পতিবারের হামলার বিষয়ে অভিযোগ জানায় তারা৷ ডেপুটেশন দিয়ে ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেন বিজেপির প্রতিনিধি দল৷

----
--