ফের তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা আঙুল উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টি হল কুশমন্ডিতে৷ কুশমন্ডি থানার মহিপাল এলাকায় মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিরোধীদের বিরুদ্ধে৷

দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ৷ ঘটনায় কুশমন্ডি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিঠু জোয়াদ্দারের স্বামী তৃণমূলের রিতেশ জোয়াদ্দার গুরুতর জখম হয়েছেন৷

- Advertisement -

অন্যদিকে স্থানীয় মহিপাল এলাকাতেও তৃণমূলের কর্মী তথা পঞ্চায়েত সদস্যের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ এক্ষেত্রেও অভিযোগের তীর বিরোধীদের দিকেই৷ উদয় পঞ্চায়েতের সদস্য তৃণমূলের কৃষ্ণ বসাক মহিপালে তাঁর দোকানে বসে ছিলেন৷ অভিযোগ সেই সময় একদল দুষ্কৃতী সেখানে হামলা চালিয়ে মারধোর করে পালিয়ে যায়৷

রিতেশ জোয়াদ্দার ও কৃষ্ণ বসাক দুইজনকেই জখম অবস্থায় গঙ্গারামপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে৷ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুশমন্ডি থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন। এদিকে হামলার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিরোধীরা।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র জানিয়েছেন, সোমবার মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার নাম করে বিজেপি ও বামেরা একজোট হয়ে মিছিল বের করেছিল। সেই মিছিল থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও তৃণমূলের নামে গালিগালাজ ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

দলীয় কর্মীরা তার প্রতিবাদ করায় মঙ্গলবার সকালে বিজেপি সিপিআইএম ও আরএসপির লোকেরা একজোট হয়ে কুশমন্ডি ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছেন। কার্যালয়ে উপস্থিত পঞ্চায়েত কর্মীদের বেধড়ক ভাবে মারধোরও করা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে পাশেই অবস্থিত মহিপাল এলাকাতেও। সেখানেও দলীয় কর্মী তথা পঞ্চায়েতের সদস্যর দোকানে হামলা চালিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছে বিরোধীরা। দুটো ঘটনাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে তৃণমূল সভাপতি জানিয়েছেন।

এদিকে জেলা বিজেপির সভাপতি শুভেন্দু সরকারের অভিযোগ, এই বিষয়টা ঠিক যেন চোরের মায়ের বড় গলা। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তৃণমূল ভীষণ ভাবে চিন্তিত। যে কারণে বিরোধীদের মনোনয়ন দিতে দেওয়া হচ্ছে না। মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের লোকেরা তাঁদের উপর যেভাবে হামলা ও মারধোর করেছে তা সাধারণ মানুষ সকলেই লক্ষ্য করেছেন। তিনি পালটা অভিযোগ করে বলেন সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের বৃথা চেষ্টায় মিথ্যে গল্প ফেঁদেছেন তৃণমূলের কর্মীদের।

Advertisement
---