সেনা তোলাবাজ! মমতার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকারের দেশপ্রম সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ সোমবার , সাংবাদিক সম্মালনে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘‘তারা পাকিস্তানের সুরেই কথা বলতে বেশি খুশি হন৷’’এখানে রাজ্য বিজেপি সভাপতি ‘তারা’বলতে যে রাজ্য সরকারকেই যে ইঙ্গিত করেছেন – সেবিষয়ে রাজনৈতিক মহল নিশ্চিত৷

রাজ্য সরকারের মাথায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেক্ষেত্রে দিলীপের ইঙ্গিত যে মমতার দিকেও গিয়েছে তা আর বলতে বাকি থাকে না৷ দিলীপের আরও সরাসরি বক্তব্য, ‘‘যখন এখানে সেনা নাকাবন্দি করে , সার্চ করে গাড়িকে , হাওড়া ব্রিজেক কাছে দাড়িয়ে , তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের তোলাবাজ বলেন …৷ সেনা ওর থেকে সম্মান আশা করেন না৷’’

- Advertisement -

সোমবার দিলীপ বলেন, ‘‘সরকার যখন কড়া পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, তখন তৃণমূলের প্রতিনিধি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বাধা দিচ্ছেন৷ যারা ফ্রন্ট তৈরি করতে চাইছিলেন তারও বাধা দিয়েছেন যে আমরা যুদ্ধের দায়িত্ব নেব না৷ তেব কী আপনারা শহিদদের মৃত্যুর দায়িত্ব নেবেন? অধিকার ভোগ করবেন, ক্ষমতা ভোগ করবেন কিন্তু দায়িত্ব নেবেন না … এটা কী করে হয়৷’’

দিলীপের বক্তব্য, ‘‘আরএসএস, বিজেপি ঝান্ডা হাতে রাস্তায় বেরিয়েছে৷ তাতে ওর আপত্তি আছে৷ উনি কেন বেরিয়েছেন? ওর মিছিল থেকে তো ‘ভারত মাতা কী জয়’স্লোগান উঠেছে৷ এর আগে একবার হাওড়া এক শহিদ জাওয়ানের পরিবারে ওর প্রতিনিধিরা গিয়েছিলেন৷ সেখানে ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল৷ ওই শহিদের মা বলেছিলেন, রাজ্যে মদ্যপান করে মরলেও ২ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়৷ আমার ছেলে সীমান্তে গুলি খেয়ে মরেছে৷ দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে৷ ওই টাকা চাই না৷’’

বিজেপির রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, অন্য রাজ্যে শহিদরা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে৷ দশ-বিশ-পঁচিশ লক্ষ টাকা৷ পশ্চিমবঙ্গে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি৷ এদিকে, ধর্ষিত হলে ক্ষতিপূরণ বা মদ খেয়ে মরলে দেওয়া হয়েছে রাজ্যে৷ প্রসঙ্গক্রমে, এদিনই তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অভিষক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছেন, আগামীদিন তাঁর যদি পুত্র সন্তান হয় তাকে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে পাঠাব৷ সোমবার জনগণের অভিষক বলেন, দেশের পাশে, সেনার পাশে থাকুন৷ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে ১৩০ কোটি মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যে ভাষায় ওরা বোঝে সে ভাষায় জবাব দিতে হবে৷