সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা রাস্তা আটকে বসে রইল বিজেপি সমর্থকরা

মেমারি: পুনর্নির্বাচনের দিন সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করল বিজেপি। মেমারি–আমোদপুর রোডের আমোদপুর মোড়ের ঘটনা। এর জেরে চরম বিপাকে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। পরে পুলিশের বিরাট বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোমবার মেমারির আমোদপুরে এক তৃণমূল ছাত্রনেতাকে মারধর করা হয়। তাঁর নাম মুকেশ শর্মা। ঘটনায় নাম জড়ায় বিজেপি সমর্থকদের। পরদিনই মেমারি থানার পুলিশ চারজন বিজেপি নেতা ও একজন সিপিএম সমর্থককে গ্রেফতার করে। তারই প্রতিবাদে বুধবার পথ অবরোধে নামে বিজেপি।

তাদের দাবি, ধৃত দলীয় নেতাদের মুক্তি দিতে হবে। এদিন রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে, তিরধনুক নিয়ে অবরোধে শামিল হন বিজেপি কর্মী–সমর্থকরা। বিজেপির জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, “সোমবার বহিরাগত ওই ছাত্রনেতা আমোদপুরের একটি বুথে ঢুকে ব্যালট লুঠের চেষ্টা করে। তারই প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ করেন। কিন্তু পুলিশ মুকেশ শর্মাকে না ধরে ইচ্ছে করে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী উজ্জ্বল দে, গ্রামপঞ্চায়েতের প্রার্থী উত্তম সাঁতরা, সুজিত মাণ্ডি এবং বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ দত্ত–সহ সিপিএম সমর্থক অশোক সিংহকে গ্রেফতার করেছে।”

যদিও মেমারি তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মধুসূদন ভট্টাচার্য জানান, “সোমবার গাড়ি নিয়ে অন্য কাজে যাচ্ছিলেন মুকেশ শর্মারা। সেই সময় তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে বিনা কারণেই বেধড়ক মারধর করে বিজেপি ও সিপিএম সমর্থকরা। তাই থানায় অভিযোগ জানানো হয়।”

অন্যদিকে মেমারির চাকনাড়ায় পুনর্নির্বাচন নিয়ে মঙ্গলবার রাতে মাইকিং চলছিল। বিডিও অফিসের তরফে এই প্রচার চলছিল। অভিযোগ, সেই সময় বেশ কিছু বিজেপি সমর্থক এসে মাইক কেড়ে নিয়ে ওই কমিশনের প্রতিনিধিদের মারধর করে। এই ঘটনায় চারজন বিজেপি সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।