জনসংযোগ বাড়াতে কর্মীদের বাইক উপহার বিজেপির

স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: কম সময়ে কত বেশি জনসংযোগ করা হয় এখন সেটাই লক্ষ্য সবদলের৷ সকলেই লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে ময়দানে নেমে পড়েছেন৷

বিজেপি তো রীতিমত আদা জল খেয়ে নেমে পড়েছে৷ বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি কোচবিহার জেলার ন’টি বিধানসভাকেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ করেছে ন’টি মোটর বাইক৷ বৃহস্পতিবার জেলা বিজেপির হাতে বৃহস্পতিবারই তা এসেছে৷

দলের নেতা-কর্মীরা রীতিমত উচ্ছ্বসিত৷ কেন্দ্রের কাছে কোচবিহার যে যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে তা বুঝতেই পারছেন জেলা নেতৃত্ব৷ পাখির চোখ আগামী লোকসভা নির্বাচন৷ শাসকদল থেকে বিরোধী শিবির, সকলেই এখন ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই ভোটকে পাখির চোখ করে৷ যাদের দলশক্তি ইতিমধ্যেই শক্ত, তারা চাইছে আরও বেশি করে দলকে বেঁধে রাখতে৷ বেশি বেশি করে জনসংযোগ করতে৷

- Advertisement -

লোকসভা ভোটের আগে কোচবিহার জেলায় বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্ত করাটাই বিজেপির লক্ষ্য৷ আর সংগঠন শক্ত করার মূল পথই হল জনসংযোগ৷ যত বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছনো যাবে ততই দলের প্রচার বাড়বে৷ সূত্রের খবর, বিজেপি জেলায় জেলায় সংগঠনের প্রচার বাড়াতে ছোট ছোট দলকে কাজে লাগাচ্ছে৷ একদম প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে এই দলই সংগঠনের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে৷ এ ক্ষেত্রে স্থানীয় দলীয় কর্মীদের উপরই ভরসা রাখছে দল৷ তারা রাজ্যের বিরোধীতার পাশাপাশি কেন্দ্রের যেসব প্রকল্পগুলি আছে সেগুলি সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছে৷

কিন্তু জনসংযোগের জন্য এরকম অভিনব কায়দা এর আগে রাজ্য বিজেপি দেখেনি৷ লোকসভার উপনির্বাচনে বিজেপি কোচবিহারে যে ভাল করেছে সেটাই কেন্দ্রের সুনজরে নিয়ে গিয়েছে এই জেলাকে৷ প্রচারে আরও সময় দিলে দল যে আগামী ভোটে ভাল ফল করবে তা নিসয়ে আশাবাদী কেন্দ্রীয় নেতারাও৷

জেলার ন’টি বিধানসভার জন্য বরাদ্দ করেছে ন’টি মোটর বাইক৷ দল অবশ্য এই বাইককে উপহার হিসাবেই জনসমক্ষে বলছে৷ কেন্দ্রীয় কমিটির কাছ থেকে এই উপহার পেয়ে বেশ খুশি জেলার বিজেপি নেতা-কর্মীরা৷ কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি নিখিলরঞ্জন দে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কোচবিহার জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে৷ লোকসভা নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই এই উপহার প্রদান৷

পঞ্চায়েত ভোটের আগেও এই জেলাকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব৷ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ একাধিক সভা করেন এই জেলায়৷ উত্তর বিধানসভাকেন্দ্রের ডাংডিংগুড়ি, নীলকুঠি-সহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে সভা করেন৷ বারবারই বলেছিলেন, দলীয় কর্মীদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে৷

ব্যালট বাক্সে জনগন তেমন সাড়া দেননি ঠিকই৷ তবু লোকসভা ভোট নিয়ে আশাবাদী দল৷ যে ক’মাস হাতে সময় আছে প্রচার চালিয়ে যাবে নিরন্তর৷ জেলার কোথাও যেন জনসংযোগে খামতি না থাকে সেদিক খেয়াল রেখেই চলবে প্রচার৷

Advertisement ---
-----