মমতাকে ‘চিটফান্ড মন্ত্রী’ বলে আক্রমণ বিজেপির

নয়াদিল্লি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রবিবার ‘চিটফান্ড মন্ত্রী’ বলে আক্রমণ করলো বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণের পাল্টা দিল বিজেপিও, মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং বলেন, ‘সংসদে হৈ হট্টগোল করে সারদা কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতে পারবে না।
তাঁর আরও অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসনেত্রী ও দলীয় নেতাদের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে কু-কথা বলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
সিদ্ধার্থনাথ সিংয়ের দাবি, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন কু-মন্তব্যে করার শীর্ষে রয়েছেন। সম্প্রতি সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ডেরেক যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তা মুখে আনার অযোগ্য।

তাঁর দাবি, বর্ধমান বিস্ফোরণ ও সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব ভয়ে কেঁপে উঠেছে। আর তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এ জাতীয় মন্তব্যে।

- Advertisement -

গতকালই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র ও রাজ্যসভায় মুখ্য সচেতক ডেরেক ও’ব্রায়েন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির তীব্র সমালোচনা করেন৷ তিনি বলেন, ‘তৃণমূলকে টার্গেট করছে বিজেপি’৷ ডেরেক বলেন, ‘জেটলি একজন হতাশ মন্ত্রী৷ তিনি সংসদে বিল পাস করতে না পেরে অসত্যভাষণ করছেন।’ প্রধানমন্ত্রীকেও রেয়াৎ করেননি ডেরেক।

ডেরেকের বক্তব্যকে খণ্ডন করে পাল্টা অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, যাদের সদস্যরা চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছেন, তাঁরা চেষ্টা করছেন রাজ্যসভার কাজকর্মে বাধা তৈরি করে সভার নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে৷ রাজ্যসভায় সরকারের গরিষ্ঠতা নেই এ কথা জেনেই৷ মনে রাখতে হবে, রাজ্যসভার স্থায়ী কমিটিগুলিতে এই দুটি বিলই অনুমোদিত হয়েছে৷ সংসদে অহেতুক রাজনৈতিক বাধা সামলানোর মতো যথেষ্ট সাংবিধানিক রক্ষাকবচ আমাদের রয়েছে।’

অরুণ জেটলির পর এবার তৃণমূলকে বিঁধলেন সিদ্ধার্থনাথ সিংও। তিনি বলেন, ‘ডেরেককে জবাব দিতে হবে কেন তৃণমূলনেত্রী এখন চিটফান্ড মন্ত্রী বলে বিখ্যাত?’

===============================================================

Advertisement ---
---
-----