স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: সরকারি নথি বলছে ভোটে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী৷ কিন্তু বিজয়ীর শংসাপত্র পেয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী৷ এই নিয়ে সরগরম কোচবিহার-২ পঞ্চায়েত সমিতি৷ এ নিয়ে জেলা বিজেপি ইতিমধ্যেই আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে৷

কোচবিহার-২ পঞ্চায়েত সমিতির ১৯ নম্বর আসন৷ সেখানেই এই বিতর্ক দানা বেধেছে৷ তৃণমূল এখানে প্রার্থী করেছিল জয়ন্তী বর্মনকে৷ বিজেপির প্রার্থী ছিলেন নুপূর বর্মন৷

Advertisement

আরও পড়ুন: কুস্তি থাকলেও হারিয়ে গিয়েছে সেই জৌলুস

অভিযোগ, গণনার দিন তৃণমূলের লোকজন নুপূর বর্মন ও তাঁর কাউন্টিং এজেন্টকে গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়৷ ফল ঘোষণার পর তিনি জানতে পারেন তৃণমূল প্রার্থী এখানে জয়ী হয়েছেন৷ জয়ন্তী বর্মনের হাতে জয়ীর শংসাপত্রও তুলে দেওয়া হয়৷

বিতর্কের সূত্রপাত হয় সরকারিভাবে প্রতিটি আসনের প্রার্থীদের প্রাপ্তভোটের পরিসংখ্যান প্রকাশিত হওয়ার পর৷ বিজেপি প্রার্থী নুপূর বর্মনের অভিযোগ, ‘‘গণনার দিন বাধ্য হই গণনাকেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে যেতে৷ বিকেলে জানতে পারি আমি হেরে গিয়েছি৷ কিন্তু ২৫ মে ব্লক অফিসে একটি তালিকা ঝোলানো হয়৷ সেখানে দেখি আমিই জিতেছি৷ এরপর নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট দেখি৷ সেখানেও আমিই জয়ী৷’’

আরও পড়ুন: ঐতিহ্য মেনেই টেস্টে থাকছে টস

নুপূরদেবীর দাবি, সরকারি পরিসংখ্যান বলছে তৃণমূল প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ২৬৯০৷ অথচ তাঁর প্রাপ্তি ২৭৭১টি ভোট৷ ভোটের ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বিজেপির৷ চক্রান্ত করেই বিজেপি প্রার্থীকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ৷ কোচবিহারের জেলাশাসককে অভিযোগও জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে৷

যদিও জেলা প্রশাসনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি৷ বিজেপি জেলা সভাপতি নিখিলরঞ্জন দে বলেন, ‘‘ভোট গণনাতে যে জালিয়াতি হয়েছে এই ঘটনা তাঁর প্রমাণ৷ এই নিয়ে আমরা আদালতে যাওয়ার কথা ভাবছি৷’’ পাশাপাশি বিডিওর বিরুদ্ধেও আইনি পথে হাঁটা হবে বলে জানান নিখিলরঞ্জন দে৷

আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহ থেকেই হোয়াটস অ্যাপে শুরু লেনদেন

----
--