বেঙ্গালুরু: ২০ঘন্টার মধ্যে আতিথেয়তার জন্য ব্যয় ২ লক্ষ টাকা, আর এই জন্যেই এবার গেরুয়াশিবিরের নিশানায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ হিন্দি সংবাদ মাধ্যম জনসত্তায় প্রকাশিত এক খবর থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার #Darubaazkejri সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়ায়৷ আর সমগ্র দিল্লিতেও নাকি ছেয়ে গিয়েছে এই সংক্রান্ত পোস্টার৷

জানা যায়,দিল্লিতে বিজেপি-আকালি জোটে থেকে বিধায়ক মনজিন্দর সিং সিরসা কেজরিওয়ালকে নিশানা করে এই পোস্টার সমগ্র দিল্লিতে ছড়িয়ে দেন৷ এই হোর্ডিং-পোস্টার দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী একটি বোতল(মদের বোতল বোঝাতে চাওয়া হয়েছে) নিজের মুখের কাছে ধরে রয়েছেন৷

পোস্টারে এও লেখা হয়েছে- একদিনে ৮০,০০০টাকার মদ খেয়ে কেজরিওয়াল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেছেন৷ সঙ্গেও এই কথাও লেখা হয়েছে, গরীবরা না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী জনসাধারণের টাকার অপব্যবহার করছে৷

প্রসঙ্গত, কর্ণাটকে কুমারস্বামীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে অন্যান্য রাজ্যের নেতাদের আমন্ত্রণে ব্যয় হয় বহুল পরিমাণ অর্থ, যার মধ্যে কেজরিওয়ালকে আমন্ত্রণে যে অর্থ ব্যয় হয় তাতে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি৷ কুমারস্বামীর সাত মিনিটের শপথগ্রহণে কর্ণাটক সরকারে মোট ৪২ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়৷ এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর জন্য ৮.৭২ লক্ষ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কেজরিওয়ালের জন্য ১.৮৫লক্ষ টাকা ব্যয়ের বিষয়টি আরটিআই-এর মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে৷

বেঙ্গালুরুর একটি হোটেলে দুঘন্টার মধ্যে খাওয়া-দাওয়াতে ৭৬হাজার টাকা খরচ করেন কেজরিয়াল৷ আর তাই নিয়ে বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি মদ্যপানের বিষয়টিকে টেনে এনে কটাক্ষ করে ট্যুইট করেন, এবার বোঝা যাচ্ছে দিল্লিতে কেন সিসিটিভি বসানো সম্ভবপর হয়নি৷

উল্লেখ্য, কুমারস্বামীর শপথগ্রহণের দিন, ২৩ মে সকালে সিতারা হোটেল তাজ ওয়েস্ট এন্ডে সকাল ৯.৪৯মিনিট নাগাদ প্রবেশ করেন তিনি৷ ২৪জুলাই ভোর ৫.৪৫মিনিটে সেই হোটেল থেকে বেরিয়ে যান তিনি৷ প্রায় ২০ঘন্টার মধ্যে তাঁর বল হোটেল বিল হয় ১.৮৫ লক্ষ টাকা৷ যার মধ্যে খাওয়া দাওয়ার বিল প্রায় ৭৬হাজার টাকা৷

----
--