শরিয়ত আদালত নিয়ে মুখ খুললেন সাক্ষী মহারাজ

উন্নাও: ভারতে যারা শরিয়ত আদালত চাইছে তারা যেন পাকিস্তান চলে যায়। এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ।

পদ্ম শিবিরের এই সাংসদের মুখে বিতর্কিত মন্তব্য নতুন কিছু নয়। এর আগেও বহুবার এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। যদিও তাঁর মুখে কখনও লাগাম পড়েনি।

আরও পড়ুন- ‘ভারত ইসলামিক রাষ্ট্র নয়’, শরিয়ত আদালত প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী

- Advertisement -

রবিবার আরও একবার প্রমাণ পাওয়া গেল সেই লাগামহীনতার। শরিয়ত আদালত নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্রের দেশ। ভারতের সংবিধান খুবই শক্তিশালী।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “যাদের শরিয়ত আদালত দরকার তারা পাকিস্তানে চলে যাক। ভারত কেবলমাত্র নিজের সংবিধানের উপরে ভিত্তি করেই পরিচালিত হবে। এখানে কোনও শরিয়ত আদালতের স্থান নেই।”

আরও পড়ুন- শরিয়ত আদালত চালুর পক্ষে সওয়াল কংগ্রেসের মন্ত্রীর

সপ্তাহ খানেক আগেই শরিয়ত আদালত নিয়ে দেশ জুড়ে শুরু হয়েছিল বিতর্ক। দেশের সমস্ত জেলায় পৃথক শরিয়ত আদালত খোলার দাবি করেছিল অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড। যদিও সেই দাবি মঞ্জুর করেনি কেন্দ্র।

আরও পড়ুন- শরিয়ত আদালত না হওয়ায় পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি ধর্মগুরুর

সেই বিষয়েই রবিবার মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। তাঁর মতে, “ভারতের সংবিধানের উপর যাদের বিশ্বাস নেই, তাদের এদেশে থাকার কোনও অধিকার নেই।” দেশ ছাড়ার সময়ে সেই শরিয়ত আদালতের দাবিদারদের শুভেচ্ছা সহ বিদায় জানানো হবে বলেও দাবি করেছেন সাংসদ সাক্ষী।

আরও পড়ুন- শরিয়ত আদালত নিয়ে অবস্থান বদল মুসলিম ল বোর্ডের

বিভিন্ন সময়ে মুসলিম সমাজের উপরে তোপ দেগেছেন সাক্ষী মহারাজ। যা নিয়ে বিতর্কও কিছু কম হয়নি। দেশের মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যার বিষয়ে তিনি একবার বলেছিলেন, “যারা চারটে স্ত্রী এবং ৪০টা সন্তানের জন্ম দেয় তাদের জন্যেই জনসংখ্যা নিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। হিন্দুরা কখনই দেশের জনবিস্ফোরণের জন্য দায়ী নয়।”

ধর্ষণে অভিযুক্ত বাবা রাম রহিম নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল সমগ্র দেশ। তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছিল সর্বত্র। সেই অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিমের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সাক্ষী মাহারাজ। ধর্ষক রাম রহিম খুব সাধারণ মানুষ বলে দাবি করেছিলেন এই বিজেপি সাংসদ।

Advertisement
---