আজ রানিগঞ্জে বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্য সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে রবিবার রানিগঞ্জে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল৷ এই প্রতিনিধিদলে আছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শাহনওয়াজ হোসেন, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, ওম পাঠক, বি ডি রাম৷ জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে সড়কপথে তাঁরা রওনা দেবেন আসানসোল ও রানিগঞ্জে৷ সেখানে গিয়ে সংঘর্ষে আহত ও পীড়িতদের সঙ্গে কথা বলবেন তারা৷ এলাকা পরিদর্শনও করতে পারেন৷ এমনটাই বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে৷

তবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলকে রানিগঞ্জে ঢুকতে দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়৷ এর আগে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় আসানসোলে যেতে চাইলে তাকে শহরে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ৷ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি৷ এমনকী রাজ্যপাল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যেতে চাইলেও আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির কারণে নবান্ন থেকে আপত্তি তোলা হয়৷

শনিবার অবশ্য তিনি রানিগঞ্জ যান৷ তবে আটকে দেওয়া হয় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে৷ প্রতিটি ক্ষেত্রেই পুলিশ আইন শৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে তাদের আটকে দিয়েছে৷ পুলিশ যে তাদের বাধা দিতে পারে এমনটা আঁচ করতে পেরেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শাহনওয়াজ হোসেন৷ শনিবার তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘‘রবিবার আসানসোল যাব৷ পুলিশ আটকালে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব৷’’

- Advertisement -

এদিকে শনিবারই আসানসোল ও রানিগঞ্জে সংঘর্ষে আহতদের দেখতে যান রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী ও কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী৷ আসানসোলের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন রাজ্যপাল৷ যদিও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ও আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় অধীরবাবুকে আটকে দেয় রাজ্য পুলিশ৷ এরপর সেখানেই রাস্তায় বসে পড়েন তিনি এবং পুলিশের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন৷

রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম রানিগঞ্জ৷ অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা৷ দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বেধে যায় সংঘর্ষ৷ বোমায় এক পুলিশ অফিসারের হাত উড়ে যায়৷ ঘটনার জেরে রানিগঞ্জে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা৷ মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী৷

Advertisement
---