ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: তৃণমূলপ্রার্থীর কার্যালয়ে ভাঙচুর চলছিল৷ অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় চলল গুলি৷ রায়গঞ্জের দক্ষিণ সোহারইয়ের ঘটনা৷ অভিযোগের আঙুল, কংগ্রেস ও সিপিএমের সমর্থকদের দিকে৷ দুই পক্ষই রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে৷

দক্ষিণ সোহারইয়ে গ্রামপঞ্চায়েত স্তরে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে ভোটে দাঁড়িয়েছেন শম্পা বিশ্বাস৷ অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী রয়েছেম কাজলী বিশ্বাস সাহা৷ তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে মেলা থেকে ফিরছিলেন শম্পাদেবীর দেওর জয়ন্ত বিশ্বাস৷ পথ আটকে তাঁকে মারধর করে স্থানীয় কংগ্রেস ও সিপিএম সমর্থকরা৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান শম্পাদেবী ও তাঁর স্বামী৷ শম্পাদেবী জানান, বারবার বলা হয়েছিল সোমবার সকালে এসব নিয়ে কথা হবে৷ কিন্তু বিরোধীরা তা শুনতে চায়নি৷ কোনওমতে দেওরকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তিনি৷

Advertisement

এরপরই রাতে সেখানে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী৷ বাঁশ, লাঠি নিয়ে হাজির হয় শম্পাদেবীর বাড়িতে৷ বাড়ির সামনেই ছিল প্রার্থীর অস্থায়ী কার্যালয়৷ সেখানে ভাঙচুর চলে৷ পরে দুষ্কৃতীরা পালানোর সময় তিন রাউন্ড গুলিও ছোঁড়ে৷ এই সব অভিযোগই তৃণমূল প্রার্থীর৷

কিন্তু বিরোধী প্রার্থী কাজলী বিশ্বাস সাহার অভিযোগ ঠিক উল্টোটা৷ তাঁর দাবি, তৃণমূল প্রার্থীর দেওর জয়ন্ত বিশ্বাস ও তার দলবলই গুলি চালায়৷ বিরোধীদের হয়ে প্রচার চালানোর জন্যই এই ঝামেলা৷ এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেছে তৃণমূল৷

সোমবার সকালেই রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শম্পা বিশ্বাস৷ অন্যদিকে গুলির খোল নিয়ে দুপুর বারোটা নাগাদ থানায় হাজির হন কাজলী বিশ্বাস সাহা৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে স্থানীয়দেরও৷

----
--