অন্ধরাও এবার পাবেন নগ্নতার স্বাদ!

ওয়াশিংটন: যৌনদুনিয়াতে এবার পা রাখতে পারবেন অন্ধরাও। চোখে দেখতে না পাওয়ার কারণে পৃথিবীর অন্যতম এই স্বাদ থেকেই ব্রাত্যই থেকে গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু এবার সময় বদলেছে। অন্ধদের জন্যেও আসতে চলছে  নতুনধরণের পর্নোগ্রাফি।

আলোকচিত্রী লিসা মারফি বিশ্বাস করেন, অন্ধরা আমাদের অতি যৌনতামুখী দুনিয়া সম্পর্কে জানতে পারছেন না, আর তাই তিনি এক নতুন ধরণের পর্নোগ্রাফি চালুর সিদ্ধান্ত নেন৷বইটিতে রয়েছে স্পর্শগ্রাহ্য ছবি, আর তা তৈরি করা হয়েছে শুধুমাত্র অন্ধদের জন্যেই৷

ক্যানাডার শিল্পী লিসা জানান, আমার মাথায় যখন এই বিষয়টি আসে তখন ঘুরেফিরে দেখেছি কিন্তু কোথাও অন্ধদের জন্য নগ্ন বই পাইনি৷তাঁর দাবি, আমরা এমন একটা সমাজে বাস করি, যেটা অনেক বেশি যৌনতামুখী৷ মরফি তাঁর বইটির নাম রেখেছেন ট্যাকটাইল মাইন্ড বা স্পর্শগ্রাহ্য মন৷ এবং ব্রেইল যে বস্তুটি দিয়ে তৈরি করা হয় মানে থার্মোফর্ম প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে এখানেও৷ বইটিতে যোগ করা হয়েছে নগ্ন যুবক-যুবতীদের ছবি, আরসেগুলো এমনভাবে আছে যাতে অন্ধরা ব্রেইল পদ্ধতিতে ছবিগুলো অনুভব করতে পারেন৷

- Advertisement -

এই বইটি প্রকাশিত হয়েছে দু’বছর আগে৷ দাম ২২২ মার্কিন ডলার৷ কি একটু খটকা লাগছে? দুই বছর আগের বই নিয়ে এতদিন পর আলোচনা কেন?
আসলে, সেটার দায়ও ক্যানাডার একটি সংবাদপত্রের৷ গত কয়েকদিন আগে টরোন্টো ডেইলি এই বইয়ের কথা প্রকাশ করার পর, বিশ্বের নানা সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছে তা৷ ব্রিটেনের টেলিগ্রাফ এই বিষয়ে শিরোনাম করেছে, অন্ধদের জন্য পর্নগ্রাফি ম্যাগাজিন প্রকাশ৷ অন্যদিকে, নিউ ইয়র্কের একাধিক দৈনিকের খবর, ছুঁয়ে দেখার উপযোগী পর্ন৷

মারফি জানান, গত দু’বছর যাবৎ বিভিন্ন মেলায় এই বইটি নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি৷ আর শুধু টাকা উপার্জন নয়, ভালেবেসেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বইটি তৈরি করেছেন তিনি৷ অবশ্য ক্যানাডা এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যমের পরামর্শে বইটি পড়ে দেখেছেন বেশ কয়েকজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী৷ আর তাদের মন্তব্য, এটি মজার, তবে উদ্দীপক নয়৷

Advertisement ---
---
-----