অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার

জাহিদ, শ্রীনগর: সাত সকালে উদ্ধার হল অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ দেহ। জম্মু-কাশ্মীরের ওই মৃত পুলিশ কনস্টেবলের নাম জাভেদ আহমেদ। শুক্রবার সকালের দিকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের হাতে অপহৃত হন পুলিশ কনস্টেবল৷ জাভেদ আহমেদ নামে ওই কনস্টেবল নিজের ডিউটিতেই ছিলেন৷ কিছুক্ষণের জন্য পুলিশ স্টেশন থেকে বেরোতেই তাঁকে তুলে নিয়ে যায় জঙ্গিরা৷

আরও পড়ুন- থানার সামনে থেকে কনস্টেবলকে অপহরণ জঙ্গিদের

- Advertisement DFP -

জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার ওই পুলিশ কনস্টেবলের দেহ উদ্ধার হয়েছে পার্শ্ববর্তী কুলগাম জেলা থেকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দোকানে গিয়েছিলেন জাভেদ৷ যাওয়ার পথেই তাঁকে অপহরণ করে জঙ্গিরা৷ পুলিশ জানাচ্ছে মোট ৪ জঙ্গি জাভেদেকে অপহরণ করে৷

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও সেনা শুরু করে চিরুনি তল্লাশি৷ যদিও রাতের দিকে কোনও সুরাহা হয়নি। শুক্রবার কুলগাম জেলার পারিয়ান গ্রামে ওই অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দুই থেকে তিন জন জঙ্গি জড়িত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ কর্তারা।

সাংবাদিক সুজাত বুখারি ও সেনা জওয়ান ওরঙ্গজেবের খুন এখনও টাটকা৷ জওয়ান ঔরঙ্গজেবকেও এভাবেই অপহরণ করে নৃশংস ভাবে হত্যা করে জঙ্গিরা৷ ওরঙ্গজেবের পর কনস্টেবল জাভেদের অপহরণ নিয়ে বাড়ছে জট৷ সেনা ও কাশ্মীর পুলিশের দাবি, জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে সেনারা তৎপর হোলেও, ইতিমধ্যেই উপত্যকায় অনেক জঙ্গি লুকিয়ে৷ বিশেষ করে লস্কর ও হিজবুল জঙ্গিদের সংখ্যা বেশি৷ জঙ্গিরা যে কোনও জায়গায় যখন তখন হামলা চালাতে পারে বলেও জানাচ্ছে সেনা৷

ইতিমধ্যেই জঙ্গিদের টার্গেটে কাশ্মীরের বিভিন্ন পুলিশ স্টেশন, পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করেও চলেছে হামলা৷ সেনা অভিযানে প্রতিদিনই নিহত হচ্ছে একাধিক জঙ্গি৷ আর সেই কারণেই সেনাদের অভিযানকে বিঘ্নিত করতে অপহরণের পথ বেছে নিচ্ছে জঙ্গিরা৷

বৃহস্পতিবার পার হয়ে গেলেও কনস্টেবল জাভেদের কোনও খোঁজ নেই৷ যৌথ উদ্যোগে তল্লাশিতে পুলিশ ও সেনা৷ মনে করা হচ্ছে সোপিয়ান জঙ্গলের ভেতর জাভেদকে নিয়ে যেতে পারে জঙ্গিরা৷ সূত্রের খবর, জাভেদের গ্রাম কাচাডুরায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৫ জঙ্গিকে খতম করে সেনা৷ হয়ত প্রতিশোধ নিতেই জাভেদকে অপহরণ করল জঙ্গিরা৷

Advertisement
----
-----