লখনউ: অস্বাভাবিক শরীরের শিশুকে বলি দিলেই আসবে পরম সৌভাগ্য। ফুলে ফেঁপে উঠবে সম্পত্তি। এমনই বিধান দিয়েছে তান্ত্রিক। সেই কারণে নিজের পরিবারের শিশুকেই বলি দিতে উদ্যত হয়েছে পরিজনেরা।

আরও পড়ুন- ভারী বৃষ্টিতে ভাসছে উত্তরপ্রদেশ, মৃত ১৬

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের উত্তর প্রদেশের বারাবাঙ্কি জেলায়। বলির নিশানায় থাকা ছেলেটির শরীরে অস্বাভাবিকত্ব বলতে রয়েছে অতিরিক্ত চারটে আঙুল। দুই হাতে একটি করে অতিরিক্ত আঙুল রয়েছে। একই সঙ্গে দুই পায়েও একটি করে অতিরিক্ত আঙুল রয়েছে।

আরও পড়ুন- ঘাস-পদ্মের দিকে ‘হাত’ বাড়াচ্ছে প্রদেশ নেতৃ্ত্ব, ক্ষোভ বাড়ছে দলে

ওই নাবালকের বাবা অভিযোগ করেছেন যে এক তান্ত্রিক পরামর্শ দিয়েছে পরিবারের অস্বাভাবিক কোনও শিশুকে বলি দিলেই পরিবারের অবস্থা সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হবে। সেই কারণে পরিজনেরাই তাঁর নাবালক ছেলেকে বলি দেওয়ার জন্য উদ্যত হয়েছে।

প্রতিকূলতার রেশ এতটাই ভয়াবহ হয়েছে যে বাড়ির বাইরে যাওয়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছে ২৪ আঙুলের অধিকারী ছেলেটির। পাছে পরিজনদের লোভের শিকারে বলি হতে হয়। এই ভয়ের কারবণেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুলে যাওয়া। খেদ পড়েছে লেখাড়াতেও। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে শিশুটির বাবা।

আরও পড়ুন- বন্যায় ভাসছে নিজের রাজ্য, তবু কেরলের পাশে নাগাল্যাণ্ড

এই বিষয়ে বারাবাঙ্কির সার্কেল অফিসার উমা শঙ্কর সিং জানিয়েছেন যে এই ধরনের কুসংস্কারের কারণে কখই একজন শিশুকে লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত করা যায় না। তাঁর মতে, “অভিযোগ পেয়েছেই। পুলিশ সমগ্র বিষয়টির স্বচ্ছ তদন্ত করবে।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালানোর মতো আর্থিক সঙ্গতি অনার নেই। আমি এখানে যতদিন আছি ততদিন পর্যন্ত ওই ছেলেটির লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ বহন করব।”

----
--