বিয়ের আগে বেঁকে বসল পাত্র, আত্মঘাতী যুবতী

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সামাজিক নিয়মে দেখাশোনা করেই বিয়ের দিন ঠিক হয়৷ নিমন্ত্রনপত্র বিলিও শেষ৷ এমনকী বিয়ের রেজিস্ট্রির আবেদন করা হয়ে গিয়েছে৷ এত কিছুর পরেও পাত্র বিয়ে করতে রাজি নয়৷ আর এর জেরেই আত্মঘাতী হল এক তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার কোতুলপুরের পানাহার গ্রামে৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়৷ প্রতারণা ও আত্মহত্যা করতে বাধ্য করার অভিযোগ তুলে মৃতার বাবা পুলিশের দ্বারস্থ হয়৷ কিন্তু কোতুলপুর থানা সেই অভিযোগ নেয়নি৷

আরও পড়ুন: বৈধ কাগজ না থাকলে ভারতে ঠাঁই নেই, বললেন বিজেপির জয়

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়া কোতুলপুরের পানাহার গ্রামের কৃষ্ণ সাঁতরার মেয়ে রেনুকা সাঁতরার সঙ্গে হুগলির গোঘাট থানা এলাকার আনুড় গ্রামের শ্যামসুন্দর রায়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে আগামি ১৫ আগষ্ট সেই বিয়ের দিন ধার্য্য হয়। সেই মোতাবেক তরুণীর বাবা আত্মীয় স্বজনদের বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র বিলির কাজ শুরু করেন৷ একই সঙ্গে বিয়ের তোড়জোর শুরু করেন। এর পাশাপাশি ২৬ জুলাই তাঁরা কোতুলপুরের এক ম্যারেজ রেজিষ্ট্রারের কাছে বিবাহ নিবন্ধীকরণের জন্য আবেদনও করে। পরে শ্যামসুন্দর রেনুকা হাজরাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ।

এই খবর রেনুকার কানে পৌঁছাতেই গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে৷ গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে গোগড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে৷ সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে৷ মঙ্গলবার ভোরে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর৷

মৃতার বাবা কৃষ্ণ সাঁতরার অভিযোগ, তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য শ্যামসুন্দর রায়কে দায়ি করে এদিনই বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে যায়৷ কিন্তু তাঁর অভিযোগ নেয়নি পুলিশ৷

 

Advertisement
----
-----