লখনউ: বিএসপির কোনও নিজস্ব ফেসবুক পেজ বা ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট নেই৷ এমনকি নেই কোনও ওয়েবসাইটও৷ সোমবার এক বিবৃতিতে এমনই দাবি করেছেন বহুজন সমাজ পার্টি বা বিএসপি নেত্রী মায়াবতী৷ তিনি বলেন যদি কেউ এই জাতীয় কোনও সোশ্যাল সাইট বিএসপির নামে ব্যবহার করেন, তবে তা ভুয়ো৷
পাশাপাশি, তাঁর দাবি দলে এতসংখ্যক যুবক যুবতী রয়েছেন, যে আলাদা করে কোনও যুব শাখা খোলার দরকার পড়েনি বিএসপিকে৷ তার দলই যুব সম্প্রদায়কে প্রতিনিধিত্ব করে৷

সোমবার এই বিবৃতি জারি করার অন্যতম কারণ ছিল একটি ঘটনা৷ সম্প্রতি একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷ বিএসপি-র নাম নিয়ে দেবাশিস জারারিয়া দাবি করে সে বিএসপি যুব-র অন্যতম সদস্য৷ এই নামে সেই ব্যক্তি চাঁদা তুলছিল বলে অভিযোগ ওঠে৷ সেই সঙ্গে বিএসপির প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে সাক্ষাতকারও নাকি সে দিত৷

Advertisement

পড়ুন: ”এটাই মোদীর নতুন হিংসাত্মক ভারত”

এই ঘটনার সমালোচনা করেন মায়াবতী৷ তারপরেই দলের পক্ষ থেকে বিবৃতি জারি করে দেওয়া হয়৷ মায়াবতী বলেন দলের ৫০ শতাংশই যুব সম্প্রদায়ের৷ তাই নতুন করে যুব শাখার প্রয়োজন নেই৷ যে ঘটনা সামনে এসেছে, তা ভুয়ো৷ যে কর্মী টাকা নিচ্ছিলেন বিএসপির নাম করে, তিনিও মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছিলেন৷ দল এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে৷

তিনি জানিয়েছেন, বিএসপিতে কোনও আলাদা মহিলা, ছাত্র, যুব শাখা নেই। তাই এই সব শাখার কোনও মুখপাত্রও রাখা হয়নি। শুধুমাত্র দলের শীর্ষ নেতা সুধীন্দ্র ভাদোরিয়া মুখপাত্র হিসাবে রয়েছেন। ‌‌‌

পড়ুন: শরিয়ত আদালত নিয়ে মুখ খুললেন সাক্ষী মহারাজ

মায়াবতীর বিবৃতি অনুযায়ী, বিএসপি ইউথ নামে একটি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে। সেখানে দলের সদস্য করার নাম করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। মায়াবতী সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যদি কেউ এরকম ভাবে চাঁদা তোলার চেষ্টা করেন, বা দলে সদস্যপদ দেওয়ার নাম করে টাকা আদায় করেন, তবে সতর্ক হন৷ বিএসপি এরকম কোনও কাজ করে না৷

----
--