স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রোজভ্যালিকাণ্ডে ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায়চৌধুরী ফের ইডি দফতরে৷ শুক্রবার সল্টলেক জিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি৷ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আধিকারিকদের কাছে এদিন তার মোবাইফোন ও কিছু নথিপত্র জমা দেন৷

শুক্রবার ইডি দফতর থেকে বেড়িয়ে সুদীপ্ত রায়চৌধুরী জানান, ইডি অবৈধভাবে তাকে গ্রেফতার করেছিল৷ মহামান্য আদালত আমাকে মুক্তি দিয়েছে৷ সুস্থ পশ্চিমবঙ্গকে নষ্ট করার জন্য কিছু মেরুদন্ডহীন রাজনৈতিক নেতা,যারা অর্ধশিক্ষিত কিছু অসাধু এজেন্সিকে দিয়ে এগুলো করাচ্ছে৷ ঠিক সময়ে সত্যটা জানতে পারবেন৷

সম্প্রতি ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায়চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি৷ বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন৷ রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডু ইডিকে বয়ান দিয়েছিলেন, তদন্তকারীদের ম্যানেজ করতে তার কাছ থেকে দু’কোটি টাকা নিয়েছে সুদীপ্ত রায়চৌধুরী৷ এমনকি একথাও বলেছিলেন, টাকা দিলে রোজভ্যালি কর্তাকে গ্রেফতার করা হবে না৷ শুধু তাই নয় সুদীপ্ত রায়চৌধুরী রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুকে কয়েকজন কেন্দ্রীয় সংস্থার অফিসারের নামও বলেছিলেন৷

শুক্রবার ইডি ব্যবসায়ী সুদীপ্তর আরও একটি মোবাইফোন বাজেয়াপ্ত করে৷ এর আগে তার ১৩টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডগুলি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।সেগুলি খতিয়ে দেখেই উঠে আসে ওই সাত এসপি পদমর্যাদার অফিসারের নাম৷ জানা যায়, এই সাত অফিসার বিভিন্ন সময়েই তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়েছেন৷এ যেন সর্ষের মধ্যেই ভূত৷ তালিকায় নাম থাকা সাত জনের মধ্যে চার জনই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসার৷ এক জন এসপি পদমর্যাদার৷ বাকি দু’জন পুলিশ কর্তা৷

----
--