ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক ব্যবসায়ী সমিতির

কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ: প্রতিনিয়ত নানা রকম ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে গেলেও ব্যবসায়ীদের কথা কেউ ভাবেনা। রায়গঞ্জের রাসবিহারী মার্কেটের বীরনগর ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম সম্মেলনে ধরা পড়ল আক্ষেপের সুর৷

এদিনের সম্মেলনে প্রায় দুই শতাধিক ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই তাদের অভাব-অভিযোগ প্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপস্থিত অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন। এদিনের সম্মেলনে উপস্থিত হন পশ্চিম দিনাজপুর চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি ডুঙ্গুর মল আগরওয়ালা, সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর কুণ্ডু, রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান অরিন্দম সরকার, কাউন্সিলার অর্ণব মণ্ডল, বীরনগর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার সাহা, সমাজকর্মী সুব্রত সরকার, বীরনগর ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি মুক্তেশ ঘোষ সহ অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন: অবৈধ বালি পাচারে ফের শিরোনামে বাঁকুড়া

সংগঠনের সভাপতি অশোক কুমার সাহা জানান, আক্ষেপ একটাই সমস্ত ব্যবসায়ীরা স্বাধীন পেশার সঙ্গে যুক্ত৷ তারা সমাজের কোন জিনিসটা মানুষের প্রয়োজনে লাগবে সেটা মাথায় রেখেই এই সেবা প্রদান করে যান। তাসত্ত্বেও সরকারি কর্মীদের মতো পে কমিশন, বোনাস, বা মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। কোনও এলাকায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের সারাদিনের পরিশ্রমের ফলেই হয়ে থাকে।

কিন্তু ব্যবসায়ীদের সেই অর্থে কোনও সামাজিক নিরাপত্তা নেই। কেন্দ্র, রাজ্য বা লোকাল কেউই ব্যবসায়ীদের কথা শোনে না। শুধু একের পর এক নতুন নতুন ট্যাক্স এবং জরিমানা বসিয়ে চলে। আগামীদিনে তাই সকল ব্যবসায়ীকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: সুখবর! এবার সস্তার স্ন্যাকস বিমানবন্দরে

পশ্চিম দিনাজপুর চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি ডুঙ্গুর মল আগরওয়ালা জানান, নিজেরা নিজেদের মধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ দূর করে এগিয়ে যেতে হবে। একতাই ব্যবসায়ীদের শক্তি। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের দাবিদাওয়া আদায় করতে হলে সংগঠনের পতাকার তলে জোটবদ্ধ হওয়া একান্ত জরুরী।

বীরনগর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার সাহা জানান, সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে আমরা আরও বেশি জোটবদ্ধ হওয়ার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলাম। আগামীদিনে সমস্ত ব্যবসায়ীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে৷ প্রত্যেকের বিপদে ঝাঁপিয়ে পরতে হবে।

এদিন সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতুহল ছিল চোখে পড়ার মতো। পুজার আগে এলাকার ব্যবসায়ীদের এই জোটবদ্ধ কর্মসূচীর ফলে চাঁদার জুলুম অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement
----
-----