নয়াদিল্লি: দেশের সাতটি রাজ্যে মোট ১৩টি নতুন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিল অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি৷ যে কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এই ১৩টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পাশাপাশি, মধ্যপ্রদেশের রাতলাম জেলায় দ্বিতীয় জওহর নভোদয়া বিদ্যালয় স্থাপনেরও অনুমোদন দিয়েছে এই কমিটি৷

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোয় প্রকাশিত একটি বিবৃতি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘চ্যালেঞ্জ মেথড’ ব্যবস্থার অধীনে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে অর্থনৈতিক বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি দেশের বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে মোট ৫০টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করে৷ এই বিদ্যালয়গুলি স্থাপনের আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছিল ১১৬০ কোটি টাকা৷ ‘চ্যালেঞ্জ মেথড’ অনুযায়ী, এই বিদ্যালয়গুলি সেই সব স্থানে স্থাপন করার কথা ছিল, যেখানকার কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমির সঙ্গে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও করবে৷

Advertisement

২০১৭ সালের অনুমোদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মোট ৩৭টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় স্থাপনের প্রশাসনিক নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়৷ ওই বছরেরই সেপ্টেম্বর মাসে ‘চ্যালেঞ্জ মেথড’-এর অধীনে প্রস্তাব বিবেচনা করার বিস্তারিত নির্দেশাবলী প্রকাশিত হয়৷ নির্দেশ অনুসারে, বাকি ১৩টি নতুন বিদ্যালয়ের জন্য কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের কাছে যে প্রস্তাব জমা পড়েছিল ও নতুন যে প্রস্তাবগুলি আসে তা বিবেচনা করার দায়িত্ব বর্তায় একটি নতুন তৈরি কমিটির উপর৷ এই কমিটিই ‘চ্যালেঞ্জ মেথড’-এর অধীনে সব থেকে বেশি গুরুত্ব রয়েছে এমন ১৩টি প্রস্তাব নির্বাচন করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সুপারিশ করে৷

সুপারিশ অনুযায়ী, ক্যাবিনেট কমিটির কাছে ১৩টি প্রস্তাব পাঠানো হয়৷ প্রস্তাবগুলিতে অনুমোদন দেয় অর্থ বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি৷ এই ১৩টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে উত্তর প্রদেশের বান্দা, মহারাষ্ট্রের ওয়াশিম, মনিপুরের চাকপিকারং, মহারাষ্ট্রের পার্ভানি, বিহারের নওয়াদা, উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর, উত্তর প্রদেশের ভাদোহি, ঝাড়খণ্ডের পালামাউ, তেলেঙ্গানার সিদ্দিপেট, কর্নাটকের কুদামালাকুন্তে, উত্তর প্রদেশের সিআইএসএফ সুরজপুর, বিহারের দেবকুণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের বাউলিতে৷

এ ছাড়া, ক্যাবিনেট কমিটি মধ্যপ্রদেশের রাতলাম জেলার অ্যালোটে আর একটি জওহর নভোদয়া বিদ্যালয় (জেএনভি) স্থাপনের প্রস্তাবও অনুমোদন করে৷ পিআইবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের রাতলাম জেলায় এসসি এবং এসটি জনসংখ্যা অনেক বেশি৷ তাই এই জেলায় আর একটি জেএনভি স্থাপনের বিপুল চাহিদা রয়েছে৷ পাশাপাশি, এই রাজ্যের সরকার বিদ্যালয়টি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি এবং অস্থায়ী বাসস্থান দেওয়ার জন্যও প্রস্তুত৷ তাই এই জেলায় আর একটি জেএনভি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে এই কমিটি৷

----
--