পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তেজনা

স্টাফ রিপোর্টার, ক্যানিং: পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন ঘিরে উত্তপ্ত গোটা রাজ্য৷ ব্যতিক্রম নয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংও৷ তবে এখানে শাসক ও বিরোধীদের লড়াইয়ের কোনও খবর মেলেনি৷ বরং অভিযোগ, উঠেছে তৃণমূলের দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে৷

ঘটনাস্থল ক্যানিং থানার নিকারিঘাটা গ্রামে৷ বৃহস্পতিবার রাতে সেখানে দফায় উত্তেজনা ছড়ায়৷ স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে বোমাবাজি, গুলি ছোড়াছুঁড়ি হয়৷ এর জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷

আরও পড়ুন: বিরাট বিশ্রামে নেতা রোহিত

- Advertisement -

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এই গোলমালের সূত্রপাত ভোটের আগে থেকেই৷ তখন টিকিট না পেয়ে একদল কর্মী-সমর্থক বিক্ষুব্ধ হয়৷ তারাই নির্দল হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে নেমে পড়ে৷ বেশ কয়েকজন জিতেও যায়৷

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে ওই বিক্ষুব্ধরাই হামলা চালায়৷ তার জেরে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী জখমও হন৷ তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়৷

রাতেই ঘটনাস্থলে যায় ক্যানিং থানার পুলিশ৷ তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে৷ এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি তাজা বোমা ও গুলির খোল উদ্ধার করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় রাতভর পুলিশ মোতায়েন করা হয় এলাকায়।

আরও পড়ুন: দেশের প্রথম রূপান্তরকামী ক্যাবি মেঘনা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিংয়ের নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই কার্যত গত কয়েকদিন ধরে এই এলাকায় গন্ডগোল চলছে। ওই পঞ্চায়েতের মোট ২১টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের হাতে ১১ টি আসন রয়েছে৷ নির্দল তথা যুব তৃণমূলের হাতে আটটি আসন ও দু’টি আসন বিজেপির দখলে রয়েছে। ফলে দু’পক্ষই চাইছে পঞ্চায়েত দখল করতে৷ কারণ, কারও কাছেই বোর্ড গড়ার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই৷

অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলের জয়ী সদস্যদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে যাতে তাঁরা নির্দলদের সমর্থন দেন। আর সেই কারণেই গত কয়েকদিন ধরে এই নির্দলরা এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কর্মীদের।

আরও পড়ুন: এ এক নতুন শুভশ্রীর কাহিনি! শুনলে চমকে যাবেন আপনি

তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই ৫০ জনের বেশি নির্দল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা, বন্দুক নিয়ে চড়াও হয় এলাকায়। বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে বোমাবাজি করার পাশাপাশি এলাকায় ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। এমনকী বেশ কয়েকটি তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। বাড়ি ঘরের পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় মোটর সাইকেল সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র।

আরও পড়ুন: জমি অধিগ্রহণে চাষিদের দাবি মেনে নিল রাজ্য সরকার

Advertisement ---
---
-----