বলা বারণ অমিত শাহের নিরাপত্তার খরচ !!

নয়াদিল্লি:বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তিনি৷ তাই তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জানার অধিকার ‘তথ্যের অধিকার’অ্যাক্টেও নেই৷ যা স্পষ্ট করল কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন বা CIC৷ তথ্যের অধিকার বা আরটিআই অ্যাক্টে মামলাকারী অমিত শাহের নিরাপত্তার খতিয়ান চাইতেই এই জবাব সিআইসির৷

২০১৪ সালের ৫ জুলাই, মামলাকারী দীপক জুনেজা তথ্যের অধিকার অ্যাক্টে অমিত শাহের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান৷ তাঁর প্রশ্ন, রাজনৈতিক নেতাদের কতটা নিরাপত্তা দিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার৷ সেই সময় অমিত শাহ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন৷ তখন থেকে জেড প্লাস নিরাপত্তা পেয়ে এসেছেন বর্তমান বিজেপি সভাপতি৷ জুনেজার প্রশ্ন, রাজ্যসবার সদস্য ঠিক কতটা নিরাপত্তা পেতে পারেন? হাই প্রোফাইল তালিকায় অমিত শাহের মত আর কত জন রয়েছেন?

পড়ুন:বিজেপির ‘অটল রাজনীতি’র জবাব দিলেন এই জাতীয় নেতা

বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পৌঁছেছে জুনেজার আরটিআই অ্যাক্টে করা এই প্রশ্নগুলি৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সিটিং অ্যাকশন কমিটি সূত্রে জানান হয়েছে, অমিত শাহের নিরাপত্তা কথা ভেবেই তাঁর নিরাপত্তার খতিয়ান দেওয়া হবে না৷ আরটিআই অ্যাক্টের ৮এর ১ ধারার নিয়ম মেনেই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও তথ্য দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ স্বারাষ্ট্রন্ত্রকের বক্তব্যকে সামনে রেখে সিআইসি জুনেজাকে অমিত শাহর নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য দেবে না বলে জানিয়েছে৷

আরও পড়ুন:৩৫এ ধারার শুনানি ঘিরে উত্তপ্ত কাশ্মীর

অবশ্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিআইসি-র বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টে মামলা করেছেন জুনেজা৷ জুনেজার দাবি, ২০১৪ সাল থেকে জেড প্লাস নিরাপত্তা পেয়ে আসছেন অমিত শাহ৷ রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে আদৌ কি জেড প্লাস নিরাপত্তা পেতে পারেন শাহ? বর্তমানে তিনি বিজেপি সভাপতি, সেক্ষেত্রে কি অমিতের উপর জেড প্লাস নিরাপত্তা বর্তায়? জুনেজার যুক্তি, যে বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন, তাঁদের উচ্চতর নিরাপত্তা গ্রহণযোগ্য হয়৷ সিআইসি-র তরফেও জানান হয়েছে, অমিত শাহের মত ব্যক্তিত্ব কে নিয়ে এই প্রশ্ন মান যায় না৷

সবমিলিয়ে, জুনেজার মামলা গ্রহণ করেছে হাই কোর্ট৷ আরটিআই অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে জুনেজা মামলা করেছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

----
-----