নয়াদিল্লি: রাফায়েল ডিল কার স্বার্থে? মোদীর রাফায়েল চুক্তির পিছনে কি কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে? বিশেষ এক সামরিক চুক্তি ঘিরে যখন এইসব প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তার মধ্যেই বড়সড় চুক্তির পথে কেন্দ্র। সব ঠিকঠাক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্র ওই চুক্তিতে অনুমোদন দেবে। ভারতে আসবে ১১৪টি ফাইটার জেট।

২০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকার চুক্তিতে ভারতে আনা হচ্ছে এই শতাধিক ফাইটার এয়ারক্রাফট। সেনাবাহিনীর প্রয়োজনের খাতিরেই দ্রুত এই চুক্তিতে অনুমোদন দিতে চলেছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের নেতৃত্বাধীন ‘ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল।’

এই চুক্তিকে “mother of all defence deal” বলেও চিহ্নিত করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী মাসের শুরুতেই ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ভারতে আসবে ১৮টি বিমান। আর বাকিগুলো তৈরি হবে ভারতে। অন্যান্য দেশের এয়ারক্রাফট প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে ভারতীয় সংস্থা গাঁটছড়া বেঁধে এই প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করবে।

এই প্রজেক্টের জন্য ছটি সংস্থা ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে F/A-18 ও F-16 (US), Gripen-E (Sweden), MiG-35 (Russia), Eurofighter Typhoon ও Rafale. চলতি বছরের জুলাই মাসে এরা আবেদন করছে। এছাড়া রাশিয়ার সুখোইয়ের তরফ থেকেও আবেদন জানানো হয়েছে।

প্রত্যেকটি বিমানের জন্য খরচ হবে ১০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া অন্যান্য প্রযুক্তির জন্য খরচ হবে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার।

বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় রয়েছে ৩১টি ফাইটার স্কোয়াড্রন। প্রত্যেকটিতে ১৮টি করে জেট। চিন ও পাকিস্তানকে যে কোনও সময় জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি থাকতে ভারতের অন্তত ৪২টি স্কোয়াড্রন থাকা প্রয়োজন। সুতরাং ১১স্কোয়াড্রন ফাইটার জেটের অভাব রয়েছে ভারতের।

----
--