তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল বাড়ি

স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: যেন তাসের বাড়ি৷ খোদ শহরের বুকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বিপজ্জনক একটি বাড়ি৷ কেউ বসবাস না করায় হতাহতের কোনও খবর নেই৷ মেদিনীপুর শহরের কর্ণেলগোলায় দুর্ঘটনার জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় গোলকুঁয়ার চক থেকে ধর্মা যাওয়ার রাস্তায়৷ ভোগান্তিতে পড়তে হয় মানুষকে৷

ঘড়ির কাঁটা তখন ৯টা ছুঁইছুঁই৷ ব্যাস্ততা শহরজুড়ে৷ হঠাৎই বিকট শব্দ৷ চোখের পলক পড়ার আগেই ভেঙে পড়ল কর্ণেলগোলায় পিঁড়ি’দের বাড়ি৷ সে দৃশ্য দেকে সবাই হতবাক৷ এলাকায় পিঁড়িদের বাড়ি প্রায় দেড়শ বছরের পুরানো৷

আরও পড়ুন: বন্ধু এমজিআরকেও একদিন দল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন করুণানিধি

- Advertisement -

গত বেশ কয়েক বছর সে বাড়িতে পিঁড়িদের কোনও বংশধর থাকতেন না৷ বহুদিন সংস্কারের অভাবে ভগ্নপ্রায় হয়ে পড়েছিল বাড়িটি৷ বিপজ্জনক সেই বাড়ি ঘিরে স্থানীয়দের আশঙ্কাও কম ছিল না৷ তবে ওই বাড়িরই অন্য অংশে গ্যারাজ ও কয়েকটি পরিবার ভাড়া থাকেন৷

প্রায় পরিত্যাক্ত অংশটি ভেঙে পড়ায় হতাহতের কোনও খবর নেই৷ তবে ব্যস্ত সময় গোলকুঁয়ার চক থেকে ধর্মা যাওয়ার রাস্তায় মানুষের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো৷ কিন্তু বরাৎ জোড়ে সেই সময় ওই রাস্তা ফাঁকা হওয়ায় বড়সর বিপদ থেকে রক্ষা মিলেছে৷

আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়াকে বাঁচাতে ১১,০০০কোটি টাকার প্যাকেজের ভাবনা

প্রত্যক্ষদর্শী মিলন আঢ্য বলেন, ‘‘আমি বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই দেখি বাড়িটি ভেঙে পড়ল৷ ওই বাড়ির সামনে রাখা আমার মোটর সাইকেলটিরও ক্ষতি হয়েছে৷’’ ভেঙে পড়া বাড়ির অন্য অংশে রয়েছে গ্যারাজ৷ সেখান থেকে যখন গাড়ি বার করতে যান সঞ্জয় মজুমদার তখনই আওয়াজ পান বাড়ি ভাঙার৷ তিনি বলেন, ‘‘শব্দ শুনেই আমি ভয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যাই৷ তারপরই দেখি ভেঙে পড়ল বাড়িটি৷’’ বাড়ির মালিক স্বপন পিড়ি জানান, ‘‘এতবড় বাড়ি দেখভালের অভাব৷ ফলে ভেঙে পড়েছে৷’’

আরও পড়ুন: টি-১০ লিগকে ছাড়পত্র আইসিসি’র

বাড়ি ভাঙার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান মেদিনীপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিল চন্দ্র দলবেরা৷ আসে পুলিশও৷ পরে পুরসভার উদ্যোগে জেসিবি দিয়ে শুরু হয় ভাঙা বাড়ির ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ৷ ততক্ষণে তীব্র যানজটের পরিস্থিতি গোলকুঁয়ার চক থেকে ধর্মা যাওয়ার রাস্তায়৷ যা বিকেল পর্যন্ত ছিল৷

আরও পড়ুন: ৯৬ বছরে প্রথম পরীক্ষা দিয়েই ফুল-মার্কস আম্মার ঝুলিতে

Advertisement ---
-----