রাজ্যের সহযোগিতায় আধুনিকীকরণ শতবর্ষ প্রাচীন গ্রন্থাগারের

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: রাজ্য সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় নতুন রূপে সেজে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার শতবর্ষ প্রাচীন মূলাজোর ভারত চন্দ্র গ্রন্থাগার৷ রবিবার সন্ধ্যায় গ্রন্থাগারের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী৷

আরও পড়ুন- অটল স্মরণে বিজেপির পাশে মমতা

ভাটপাড়া পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই গ্রন্থাগারটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯০৬ সালে বৃটিশ আমলে স্থাপিত হয়েছিল মূলাজোর ভারত চন্দ্র গ্রন্থাগার। গ্রন্থাগারের ১২ জন প্রতিষ্টাতা সদস্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে এই গ্রন্থাগারে দৈনিক পাঠক সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- বিজেপির ‘অটল রাজনীতি’র জবাব দিলেন এই জাতীয় নেতা

জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগারের পরিকাঠামো উন্নয়নে খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে রাজ্য সরকারের গ্রন্থাগার দফতর দিয়েছে ৩২ লক্ষ টাকা, জগদ্দল বিধানসভার বিধায়ক পরশ দত্ত তার বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে দিয়েছেন পাঁচ লক্ষ টাকা৷এছাড়া গ্রন্থাগারের নতুন বই কিনতে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে ভাটপাড়া পুরসভা৷

উদ্বোধনের মুহূর্ত

এদিন গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাটপাড়ার বিধায়ক তথা চেয়ারম্যান অর্জুন সিং, জগদ্দলের বিধায়ক পরশ দত্ত, নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা গারুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল। ভাটপাড়ার বিধায়ক তথা পুরসভার চেয়ারম্যান অর্জুন সিং বলেন,’ঐতিহাসিক এই গ্রন্থাগারকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করতে পুরসভা বিদ্যুৎ খরচ দিয়ে সহযোগীতা করবে।বাম আমলে এই অঞ্চলে কোন উন্নয়ন হয়নি, শুধু রাজনীতি হয়েছে। বর্তমান সরকার এখানে উন্নয়ন করে দেখাচ্ছে।’

আরও পড়ুন- হার্দিকের আন্দোলনকে সমর্থন মমতার

গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই গ্রন্থাগারের এক কিলোমিটারের মধ্যে যে সব স্কুল আছে সেই সব স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের এই সহায়িকা বই পত্র দেওয়া হবে।এছাড়া রাজ্যের অন্যান্য গ্রন্থাগারগুলির উন্নয়নে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই সাড়ে ১৪০০ গ্রন্থাগারকে ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছে রাজ্য।

একান্তে বিধায়ক সুনীল সিং-এর সঙ্গে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা

আগামী ৩১ শে আগস্ট রাজ্যে গ্রন্থাগার দিবস পালিত হবে। গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী “ওই দিন আমরা প্রতি জেলার জন্য বিশেষ ডাইরেক্টরি প্রকাশ করব৷ যে ডাইরেক্টারিতে দেশ তথা রাজ্যের সমস্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া যাবে।”

Advertisement
-----