আগামী শুক্রবার চন্দ্রগ্রহণ। আর এই গ্রহণকে ঘিরে রয়েছে নানান সংস্কার। এমনকি রয়েছে নানান ধরণের কুসংস্কার। অনেকেই গ্রহণকে অপবিত্র বলে মনে করেন। তাঁদের মতে চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ নাকি অপবিত্রতা। এই সময়ে অশুভ শক্তির প্রভাব বেড়ে যায় বলে মনে করেন।

আর তাতে নাকি বাড়ি, মন্দির সর্বত্রই এর প্রভাব পড়ে। ফলে গ্রহণের সময় পূজা-অর্চনাও বন্ধ রাখা হয়। গ্রহণ শেষ হলে ঘরবাড়ি পরিষ্কারও করেন অনেকে। এছাড়াও অনেকে গ্রহণ চলাকালীন বাড়ির রান্না ফেলে দেন। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে শুরু করেন রান্নাবান্ন।

Advertisement

পড়ুন আরও- মিস করলেন ফিস! আগামী সোমবার বিরল চন্দ্রগ্রহণ সাক্ষী থাকবে গোটা দেশ

শুধু তাই নয় অনেকে বলেন, গ্রহণ চলাকালীন প্রচুর বিকিরন পৃথিবীতে চলে আসে। যা নাকি মানব দেহের জন্যে খারাপ। তাই গ্রহনের সময় চাঁদের দিকে নাকি সরাসরি তাকানো উচিত নয়। তবে সুর্যগ্রহন অপেক্ষা চন্দ্রগ্রহনে বিকিরন অনেক কম। কিন্তু বিকিরন তো হয়। একটি এক্সরের চেয়ে অনেক বেশী বিকিরন ঘটে চন্দ্রগ্রহনে।

এখানেই শেষ নয়, গর্ভবতী মহিলাদের জন্যেও নাকি ক্ষতির কারন আছে চন্দ্রগ্রহণ। কুসংস্কার বলছে, গর্ভবতী মহিলাদের উপর নাকি সবথেকে বেশি পড়ে গ্রহনের এফেক্ট। যদিও অনেকে বিষয়টিকে উড়িয়ে দেয়। যে বা যাহারা এমন ভাবে, সেটা তাদের অজ্ঞতা।

----
--