নয়াদিল্লি: বছর তিনেক আগে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস থেকে রুপো নিয়ে মণিপুরের মফসলে নিজের গ্রামে ফিরেছিলেন ভারতীয় ভারোত্তলোক মিরাবাঈ চানু৷ গ্রামের পড়শিদের মুখে ছিল মণিপুরী কন্যার সাফল্য নানাবিধ কাহিনী৷ সকলের মনে একটাই জিজ্ঞাসা ছিল কবে ঘরের মেয়ে চানু অর্জুন পুরস্কার পাবেন!

কমনওয়েলথ গেমসের রুপো জয়ের কেটে গিয়েছে তিন বছর৷ গত মাসে মার্কিন মুলুকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন ২৩ বছরের এই মণিপুরী কন্যা৷ এবার নিশ্চিয় ‘অর্জুন’ হবেন চানু৷ প্রতিবেশীদের এমনই প্রত্যাশা৷ প্রত্যাশিত মণিপুরের ‘আইরন লেডি’ও৷

Advertisement

তাঁর হাত ধরেই ভারোত্তলোনে প্রায় দু’ দশক পর সোনা জিতেছে ভারত৷ চানুই প্রমাণ করেছেন কুঞ্জুরানী, মালেশ্বরীর যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই৷ ২০১৬ রিও অলিম্পিকে কঠিন পরিশ্রম করে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করেও সফল হননি৷ বিশ্ব মঞ্চে সোনা জিতে দেশবাসীকে গর্বিত করেছেন মণিপুরী তনয়া৷

আত্মপ্রত্যয়ের উপর ভরসা রেখে শুরু হয়েছিল নব উদ্যোগে কঠিন পরিশ্রম৷ ভেবেছিলেন সোনার পদক জিতলে, তবেই হয়তো অর্জুন পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন৷ আত্মপ্রত্যয়ের ফল মিলল হাতেনাতে৷ মার্কিন মুলুকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতে সোনা জয় হল তাঁর হাত ধরে৷ থাই তারকা থুনিয়াকে হারিয়ে স্নায়ুযুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয় পান চানু৷

দু’ দশক পর এক নতুন ইতিহাস গড়ে নিজেকে অর্জুন পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার মনে করছেন তিনি৷ সাংবাদিক বৈঠকে চানু জানান, ‘গ্লাসগোতে রুপো জেতার পর অর্জুন পুরস্কার না-পেয়ে আমার খারাপ লেগেছিল৷ কিন্তু সোনা জেতার পর আশা করি, এবার অর্জুন পুরস্কার জেতার যোগ্যতা অর্জন করেছি!’

----
--