ভেজা মাটিতে বসেই পড়াশোনা চলে এই ক্ষুদে পড়ুয়াদের

রায়পুর: কোথাও মাথার ওপরে ছাদ নেই, কোথাও ঘর নেই, কোথাও আবার বই খাতা আর শিক্ষকের অভাব৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরণের শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল ছবি দেখা যায়৷ তবে এবারের ছবিটা ব্যতিক্রম না হলেও, প্রাথমিক শিক্ষার হালকে আরও করুণ করে তুলছে৷

আরও পড়ুন- বামপন্থার পরিবর্ত মত হিসেবে উঠে আসছে ভারতীয় দর্শন!

ছত্তিশগড়ের বলরামপুর জেলায় অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের ক্ষুদে পড়ুয়াদের পড়াশোনার হাল বেহাল৷ ভেজা মাটিতে বসে পড়াশোনা করতে হয় ছোট ছোট শিশুদের৷ কারণ বর্ষা হোক বা গ্রীষ্ম, এই কেন্দ্রের ঘরের মেঝে সবসময়েই ভিজে থাকে৷

- Advertisement -

এই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের জন্য টাকাও বরাদ্দ করা হয়৷ কিন্তু অবস্থা তথৈবচ৷ ভেলওয়াধি গ্রামের এই অঙ্গলওয়াড়ি কেন্দ্রে দিনের পর দিন এভাবেই পড়াশোনাক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পড়ুয়ারা৷

আরও পড়ুন- শতাধিক লাইন পাচ্ছে রেল! জানেন বাংলায় কতগুলি তৈরি হচ্ছে

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সদস্যদের মত, প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও কোনও ফল হয়নি৷ সঠিক পরিকাঠামো নেই, ব্যবস্থা নেই, এভাবে পড়াশোনার চালাতে কার্যত বাধ্য হচ্ছে তারা বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের সদস্য কর্মীরা৷
তবে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জেলার নারী ও শিশু কল্যাণ অফিসার জ্যোতি মিনজ ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা উন্নয়ন তহবিলে দিয়েছেন৷ জেলার তরফ থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে, বাকি টাকা পঞ্চায়েত দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন- ‘স্বামী বিবেকানন্দকেও রাস্তায় ফেলে পেটাত আজকের বিজেপি’

এদিকে, গ্রামের প্রাধন জানেনই না যে টাকা দেওয়া হয়েছে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়ন খাতে৷ গোটা ঘটনার দায় তিনি চাপিয়েছেন পঞ্চায়েতের আরেক সদস্যের ওপর৷ তথ্যের আদান প্রদানের গাফিলতির জন্য উন্নয়নের কাজে বাধা পড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি৷

এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করেছেন জেলা পঞ্চায়েত সিও শিব অনন্ত তয়াল৷ তিনি বলেন যদি কোনও স্তরে কোনও গাফিলতি থাকে, তবে তা কোনও পরিস্থিতিতেই মানা হবে না৷ কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি৷

Advertisement ---
---
-----