বেজিং: আমেরিকাকে বিপর্যস্ত করতে সবদিক থেকে শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করছে চিন। তৈরি করছে এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, সাবমেরিন সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। বিশ্বের সবথেকে ক্ষমতাশালী নৌবাহিনীর তকমা আমেরিকার থেকে কেড়ে নিতে রীতিমত প্রস্তুত হচ্ছে বেজিং। আর তার মধ্যেই ভুল করে বসল চিন।

পরমাণু অস্ত্রবাহী এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন, আন্ডারওয়াটার ড্রোন সহ সব সামরিক পরিকল্পনা ছবি সহ পোস্ট করে দিল চিনের এক নির্মান সংস্থা। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই পোস্টটি ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ততক্ষে আমেরিকার কাছে পৌঁছে গিয়েছে খবর। সেই পোস্টে ছিল ছবি সহ নানা তথ্য।

এদিকে, মাঝ সমুদ্রে শত্রুদের যুদ্ধজাহাজে নজর রাখতে নতুন ‘সারভিলিয়েন্স প্লেন’ তৈরি করছে চিন। সেদেশের এয়ারক্রাফট কেরিয়ার থেকে ওড়ানো হবে ওই নজরদারি বিমান। চিনের সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, KJ-600 নামে ওই বিমান তৈরি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

কিছুদিন আগেই জাপানের সেনা ঘাঁটিতে F-35 বিমান মোতায়েন করেছে আমেরিকা। তারপরই চিনের তরফ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হল। কারণ, আমেরিকা ওই বিমান মোতায়েন করে চিনের এয়ার ডিফেন্সকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে আমেরিকা।

চিন জানিয়েছে, KJ-600 বিমানে থাকবে এক বিশেষ ধরনের র‍্যাডার। সেই র‍্যাডারে স্টিলথ এয়ারক্রাফটের অবস্থানও ধরা পড়বে সহজেই। মার্কিন যুদ্ধবিমান F-22s বা F-35s-এও নজর রাখতে পারবে চিনের র‍্যাডার।

বেজিং-এর সামরিক বিশেষজ্ঞ লিং জি জানিয়েছেন, মাঝ আকাশে কমান্ড সেন্টার হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে চিনের এই নতুন বিমান। অনেক দূরে থাকা এয়ারক্রাফটও খুঁজে বের করতে পারবে এটি।

----
--