অশান্তির মাঝেই নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করল চিন

বেজিং: সিকিম সীমান্তে ভারত-চিন উত্তেজনা এখনও অটুট। তার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করল চিনের সংবাদমাধ্যম। মোদীর বিদেশনীতির প্রশংসা করে চিনের সংবাদমাধ্যম Xinhua news agency.

ওই সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘ভারত সক্রিয়ভাবে বৈদেশিক বিনিয়োগ পাচ্ছে। গত দুবছরে গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে ভারত, ফলে অনেক দেশই সরাসরি বিনিয়োগ করছে।’ মোদীর আমলে বিদেশনীতি যথেষ্ট সক্রিয় হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, চিনের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতেই চিনে আসছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। ডোকলাম ইস্যুতে কথা বলার জন্য নয়।

- Advertisement -

গ্লোবাল টাইমসের ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দোভালের সঙ্গে শুধুমাত্র সুরক্ষা সম্পর্কিত একটি রুটিন বৈঠক হবে। দোভালের এই সফরে সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে বলেও অনুমান করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ব্রিকস সম্মেলন সংক্রান্ত বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ২৭ ও ২৮ জুলাই বেজিংয়ে থাকবেন দোভাল।

এদিকে এই ইস্যুতে চিনের যে সিদ্ধান্ত ডোকালাম থেকে ভারত সেনা না সরানো অবধি নয়াদিল্লির সঙ্গে কোনও কথা বলবে না বেজিং, সেই সিদ্ধান্তেই তারা অনড় থাকছে। দোভাল যদি মনে করেন, তিনি ডোকালাম নিয়ে এই সফরে বেজিংয়ের থেকে ইতিবাচক কিছু প্রতিক্রিয়া পাবেন, তাহলে তিনি সম্পূর্ণ ভুল আশা করছেন, দাবি চিনা সংবাদমাধ্যমের। সেখানেই বলা হয়েছে এব্যাপারে সমস্ত চিনাবাসীর ভাবনাও এক। ভারতকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ চিন। এছাড়া যদি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার পক্ষে থাকে ভারত, তাহলে অবিলম্বে ডোকালাম থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়া উচিত্ নয়াদিল্লির, মত বেজিংয়ের। আর যদি ভারত নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, তাহলে চিনা সেনা সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তার ফল ভুগতে হবে ভারতকেও, দাবি চিনের।

Advertisement
---