তিরুপতির শতাব্দী প্রাচীন সোনা উধাও!!

তিরুপতি: খোঁজ নেই তিরুপতির ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের বিপুল সোনার৷ যা ষোড়শ শতকে দেবতাকে উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন রাজা শ্রী কৃষ্ণ দেবারায়া৷ বিপুল সোনার হদিস পেতে মাঠে নামল কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন বা CIC (Central Information Commission)৷ কোথায় সোনা? Archaeological Survey of India (ASI) সহ অন্ধ্র্রপ্রদেশ সরকার, ও তিরুমালা চিরুপতি দেবস্থানাম কমিটিকে প্রশ্ন CIC-র৷

CIC চেয়ারম্যান শ্রীধর আচারাইয়ুলু সোনা নিখোঁজের ঘটনায় প্রধামন্ত্রীর দফতরের হস্তক্ষেপ চাইছেন৷ দেবতার নামে উৎসর্গ করা সোনা কোন্ দান তহবিলে রয়েছে তা জানানো মন্দির কর্তৃপক্ষের কর্তব্য বলে দাবি তাঁর৷ এর আগেও ভেঙ্কটেশ মন্দিরের সোনা নিখোঁজের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷ এর পর তদন্তে হাত বদল হয়৷ প্রথমে CIC-কে অভিযোগ জানান বিকেএসআর আয়াঙ্গার নামে এর ব্যক্তি৷ এরপরই তদন্তভার বিভিন্ন দফতরে স্থানান্তর হয়৷ কিন্তু, মামলায় সেভাবে গতি আসেনি৷ আয়াঙ্গার বিষয়টি নিয়ে তথ্যে অধিকার(RTI)কাছেও যান৷

পড়ুন:‘শিশুদের নগ্ন করে নাচ করতে বাধ্য করত সন্ন্যাসী!’

- Advertisement -

মম্দির কমিটি অর্থাৎ তিরুমালা তিরুপতি দেবাস্থানামের বিরুদ্ধে হেরিটেজ অসংরক্ষণের অভিযোগ৷ দেড় হাজার বছরের প্রাচীণ মন্দিরের সম্পত্তি সংরক্ষণ করতে পারেনি মন্দির কমিটি বলে অভিযোগ জানানো হয়৷ এবার মামলাকে ফের সামনে এনেই সোনার খোঁজ চেয়ে তিন ধাপে রিপোর্ট তলব করছে CIC৷ মন্দির কমিটিরবিরুদ্ধে আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ আয়াঙ্গারের৷ ২০০৩ সালে গোপনে ভেঙ্কটেশ মন্দিরের প্রধান দরজা ভেঙে ফেলে মন্দির কমিটি৷ দরজার মূল্যবান সামগ্রী মন্দিরের বদলে ব্যক্তিগত তহবিলেই জমা পড়ে৷ হেরিটেজ ঘোষণার পর নির্দেশ ছাড়া মন্দিরের প্রধান দরজা কীভাবে ভাঙা হল? সেই প্রশ্ন তুলেই ফের তদন্তে CIC৷

CIC-র বক্তব্য, কেন্দ্রীয় তথ্য-সংস্কৃতি মন্ত্রক, ASI বিভিন্ন রাজ্যের হেরিটেজ সংরক্ষণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে৷ কিন্তু, এক্ষেত্রে যোগাযোগের অভাব স্পষ্ট৷ শতাব্দী প্রাচীণ মন্দিরের সম্পত্তি উধাও হওয়ার সঠিক কারণ ব্যাখ্যার দায় মন্দির কমিটির৷ তাই তদন্তে বেশ কড়া CIC৷

Advertisement ---
---
-----