তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত ডোমজুর

হাওড়া: দল ভাঙিয়ে নিজেদের সংগঠন মজবুত করে চলেছে রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস। কোথাও আবার দল ভাঙিয়ে বোর্ড গঠনও করে ফেলেছে। এই পথেই ত্রিপুরা বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা অর্জন করেছে ঘাসফুল। আর সেই দল ভাঙানোর তীর বুমেরাং হয়ে ফিরে এল তৃণমূলের দিকেই। গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাওড়ার ডোমজুর ব্লকের উত্তর ঝাপরদহ গ্রাম।

ঘটনার সূত্রপাত উত্তর ঝাপরদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড দখলকে কেন্দ্র করে। ১২ আসনের পঞ্চায়েতের আটটি নিয়ে ২০১৩ সালে বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল। বর্তমানে ওই পঞ্চায়েতের প্রধান রয়েছেন তৃণমূলের সজল দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য কানাই কোটাল এবং প্রধান সজল দাসের মধ্যে সম্পর্ক সুখকর নয়। সেখান থেকেই শুরু হয় গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। কানাই কোটাল অন্য পঞ্চায়েত সদস্য অশোক মাঝিকে পঞ্চায়েতের প্রধানের পদে বসাতে উদ্যোগী হন। তৃণমূলের তিন সদস্য এবং বিরোধী শিবিরের চার সদস্যকে নিয়ে সজল দাসকে সরিয়ে নয়া বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা করেন। সেই নিয়েই বৃহস্পতিবার শুরু হয় সংঘর্ষ। হাতাহাতি থেকে চরমে ওঠে সেই সংঘর্ষ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি করতে হয় কানাই কোটালকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেখান থেকে চম্পট দেন অশোক মাঝি। এই বিষয়ে ডোমজুর থানায় যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, “সকালের দিকে ঝাপরদহতে ঝামেলা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।”

Advertisement
----
-----