‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টারে’র প্রদর্শনী ঘিরে বিক্ষোভ কলকাতায়

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যুব কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভে বন্ধ হয়ে গেল ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’-এর প্রদর্শনী৷ ওয়েলিংটনের হিন্দ মাল্টিপ্লেক্সে-এ আপাতত এই সিনেমা দেখানো বন্ধ রাখা হয়েছে৷ মাল্টিপ্লেক্সে সূত্রে জানা গিয়েছে নিরাপত্তার কারণেই সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়েছে৷ ছবির প্রদর্শনী বন্ধ ইন্দিরা সিনেমা হলেও৷

আরও পড়ুন: জল্পনা বাড়িয়ে শনির বারবেলায় সাংবাদিক বৈঠকে বুয়া-বাবুয়া

ফেরৎ দিয়ে দেওয়া হয়েছে দর্শকদের টিকিটের টাকাও৷বিশৃঙ্খলা এড়াতে ওই চত্বরে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে৷ শুক্রবার সারা দেশে রিলিজ হয়েছে ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’৷ এদিন বেলা সাড়ে এগারোটায় ধর্মতলার হিন্দ সিনেমা হলে ছবির ফার্স্ট শো ছিল৷ সিনেমা রিলিজের প্রতিবাদে কংগ্রেসের মধ্য-কলকাতার জেলা সভাপতি সুমন পালের নেতৃত্বে একদল যুব কংগ্রেস কর্মী হিন্দ-এর সামনে তালা নিয়ে এসে তুমুল বিক্ষোভ দেখান৷ সেখানে মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো হয়৷ বিক্ষোভের জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সিনেমা হলের দরজা৷ ছবিরপ্রদর্শনীও আপাতত বন্ধ৷

- Advertisement -

মধ্য-কলকাতা কংগ্রেস সভাপতি সুমন পাল বলেন, “এই সিনেমায় সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, মনমোহন সিং-কে অপমান করা হচ্ছে৷ ভোটের আগে মোদী নিম্ন মানের রাজনীতি করছেন৷ তাঁর বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি৷ আর সেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করছেন৷ এতে আবারও মোদীভাই-দিদিভাই জোট প্রমাণ হয়ে গেল৷”

‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টারে’র প্রদর্শনী ঘিরে বিক্ষোভ কলকাতায়

‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টারে’র প্রদর্শনী ঘিরে বিক্ষোভ কলকাতায়রিপোর্টার- Debjani Sarkarবিস্তারিত প্রতিবেদন- http://bit.ly/2sjS55c

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले शुक्रवार, ११ जानेवारी, २०१९

আরও পড়ুন: ২০২১ এ মহিলা মহাকাশচারী নিয়ে উড়ান দেবে গগনযান

২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মনমোহন সিং-এর প্রধানমন্ত্রীত্বের সময়কালের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা হিসাবে কর্মরত ছিলেন সঞ্জয় বারু৷ তাঁর লেখা এই বই-এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এখানে বারুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না। তবে কংগ্রেসের অভিযোগ, এই সিনেমা আদপে তাদের দলের বিরুদ্ধে বিজেপি-র উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার। ২৭ ডিসেম্বর সিনেমাটির ট্রেলার সামনে আসার পর থেকেই এনিয়ে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হতে শুরু করেছে।

তবে দিল্লির কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ছবির প্রতিবাদ জানালেও কোথাও জঙ্গি আন্দোলন তারা করবে না৷ কারণ তাতে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে কোনও ফারাক থাকবে না৷ এদিন হিন্দের সামনে যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভ কর্মসূচীর দায় প্রদেশ নেতৃত্ব নিতে চায়নি৷ যুব কংগ্রেস নেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর পুত্র রোহণ মিত্র জানিয়েছেন, “সিনেমা বন্ধের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচীতে প্রদেশ কংগ্রেস ও এআইসিসি কোনও অনুমোদন দেয়নি৷”

আরও পড়ুন: জয়নগর শ্যুটআউটে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত বাবুয়া সহ ৩

যুব কংগ্রেসের সভাপতি সাদাব খান বলেন, “আমি গতকাল কলকাতার বাইরে ছিলাম৷ এই কর্মসূচির ব্যাপারে কিছু জানতাম না৷ তবে আর কোথাও এরকম কিছু হবে না৷”