বাঁদরের উৎপাত থেকে মুক্তির অভিনব উপায় বললেন যোগী

লখনউ: শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হনুমান। আর এতেই প্রবল প্রতিকূলতার মুখে পড়েছে স্থানীয় মানুষেরা। ঘরে বসেই এই সমস্যা থেকেই মুক্তি পাওয়ার উপায় বলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

আরও পড়ুন- যার জোর তার মুলুক, অন্য মতাদর্শ পটল তুলুক ‌

আলোচ্য জায়গাটির নাম মথুরা। উত্তর প্রদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র বলে পরিচিত মথুরা। শুর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অনেক মন্দির। একই সঙ্গে রয়েছে হিন্দু ধর্মের অনেক পৌরাণিক কাহিনীর ইতিহাস।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- জোট নিয়ে জটিলতা বাড়ছে এনডিএ-র অন্দরে

সরকারি তথ্য অনুসারে মথুরা শহরের জনসংখ্যা সাড়ে চার লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। নিত্যদিন বহু পর্যটক সমাগমের কারণে তা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু শহর জুড়ে হনুমানের দাপাদাপিও বৃদ্ধি পেয়েছে উচ্চ হারে। যা প্রায় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। মানুষের এই পূর্বসূরিদের সামাল দেওয়াও খুব দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে মথুরাবাসীর কাছে।

আরও পড়ুন- বাড়িতে বসেই মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে বিয়ের শংসাপত্র: মুখ্যমন্ত্রী

সামনেই আসছে জন্মাষ্টমী। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম তিথি। সেই বিশেষ অনুষ্ঠান ঘিরে বেশ সরগরম মথুরা। শুক্রবার ওই মথুরায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সমগ্র জেলার উন্নতির জন্য ৪১টি প্রকল্প ঘোষণা করেন। যেগুলি বাস্তবায়িত করতে খরচ হবে ৩৪৬ কোটি টাকা।

মথুরায় গিয়ে হনুমানের দাপাদাপির কথা স্থানীয়দের কাছে জানতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন বক্তব্য রাখার সময়ে। বাঁদরের নিয়ে প্রতিকূলতার প্রতিকারের উপায়ও বলেন যোগী। তাঁর কথায়, “এখানে আসার পথে কয়েকজনের মুখে শুনলাম মথুরায় বাঁদরেরা খুব উৎপাত করছে। আমি তাঁদের ‘বজরং বলি’র আরতি শুরু করার পরামর্শ দিলাম।” একই সঙ্গে মথুরাবসীকে ‘হনুমান চাল্লিশা’ পাঠ করার পরামর্শও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই নির্দেশ মেনে চললে হনুমান কখনও কোনও সমস্যা করবে না বলে দাবি করেছেন যোগী আদিত্যনাথ।

Advertisement ---
-----