দলিত সংরক্ষণ নিয়ে নয়া প্রশ্ন তুললেন যোগী আদিত্যনাথ

লখনউ: দলিত এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিত সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলন চলছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলিতদের উপরে হিংসার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তালিকায় প্রায় শীর্ষে ছিল যোগীর রাজ্য উত্তর প্রদেশ।

এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিতদের সংরক্ষণ নিয়ে নয়া প্রশ্ন তুললেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিত পড়ুয়াদের জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করার দাবি করলেন ওই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

আরও পড়ুন- ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির নেপথ্য কাহিনি

- Advertisement DFP -

রবিবার উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী রাম প্রকাশ ত্রিপাঠীর মৃত্যু দিন ছিল। পূর্বসূরির দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কনৌজ শহরে হাজির ছিলেন যোগী। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলিত সংরক্ষণের বিষয়ে সরব হন আদিত্যনাথ।

দলিতেরা নাকি বর্ণ বৈষম্যের শিকার। এই নিয়ে চলছে আন্দোলন। দলিতদের নিয়ে যারা আন্দোলন করছে তাঁদের একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “যারা বলছেন যে দলিতেরা বৈষম্যের শিকার, তাঁরা আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিত সংরক্ষণ নিয়ে কবে প্রশ্ন তুলবেন?”

আরও পড়ুন- পাক সেনার অত্যাচারের প্রতিবাদে ইসলামাবাদে রাষ্ট্রসংঘের দফতরে বিক্ষোভ

এই প্রসঙ্গে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিত পড়ুয়াদের সংরক্ষণ নিয়ে সওয়াল করেছেন। তিনি ফের প্রশ্ন তুলেছেন, “বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন থাকবে না?”

এর আগেও আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দলিত পড়ুয়াদের জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করার বিষয়ে কথা উঠেছিল। কিন্তু অল্প কিছুদিন পরে সেই বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। অই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের জন্য আসন সংরক্ষণ নিয়ে আর কোনও কথা হয়নি।

আরও পড়ুন- শিশুদের যৌন নির্যাতনে গ্রেফতার খোদ শিশু সুরক্ষা আধিকারিক

গত বছর থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সৌজন্যে বিষয়টি ফের সামনে আসতে শুরু করেছে। দলিতদের সঙ্গে তপশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য অই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংরক্ষণ চালু করার দাবি করেছে পদ্ম শিবির।

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ইউপিএ সরকার ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দিয়েছিল।

Advertisement
----
-----