ভোপাল: ভোটের টিকিট চাই? সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট আছে? উত্তর যদি হ্যা হয় তাহলে টিকিট পাওয়ার দৌড়ে এককদম এগিয়ে রইলেন৷ আর উত্তর না হলে টিকিট পাওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল৷ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নেতা কর্মীদের উদ্দেশে কংগ্রেসের বিশেষ ফতোয়া৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় যাদের অগণতি ফলোয়ার তারাই হবেন টিকিট পাওয়ার দাবিদার৷ তাই শুধু ময়দানে নেমে জনসংযোগ বাড়ালেই হবে না, সোশ্যাল মিডিয়াতে বাজিমাত করতে হবে৷

বছর শেষেই মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন৷ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা না হলেও এখন থেকেই প্রচারে ঝাপিয়ে পড়েছেন কংগ্রেস ও বিজেপি নেতারা৷ আর কিছুদিন পর শুরু হবে টিকিট বণ্টন৷ এই টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে এবার নয়া শর্ত চাপিয়েছে কংগ্রেস৷ সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফেসবুক ও ট্যুইটারে অ্যাকাউন্ট থাকলে তাদের টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে৷

আরও পড়ুন: মোদী-অমিতের ঘুম ছুটিয়ে কর্ণাটকে ছুটলেন রাগা

তবে এখানেই শেষ নয়৷ চাপানো হয়েছে আরও শর্ত৷ নেতাদের ফেসবুক পেজে কম করেও ১৫ হাজার লাইক থাকা চাই৷ আর ট্যুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যা পাঁচ হাজার হওয়া চাই৷ এছাড়া কংগ্রেস নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দলের সরকারি ফেসবুক পেজের পোস্ট শেয়ার করতে হবে৷ আর কোনও ট্যুইট করা হলে সেটা রিট্যুইট করতে হবে৷

১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্যের কংগ্রেস নেতাদের তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তারিত তথ্য দলের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ মধ্যপ্রদেশের এক কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, যদি নেতারা মনে করেন এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন তাহলে এই তথ্য অবশ্যই জমা দিতে হবে৷ তাদের নামই টিকিটের জন্য ভাবা হবে৷

আরও পড়ুন: বড়লোক হতে ২৪আঙুলের ছেলেকে বলি দিতে চায় পরিজনেরা

রাজ্যে ভোটের মুখে জনসংযোগ বাড়াতে কংগ্রেস ও বিজেপি দুই দলেরই প্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া৷ তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে বিজেপির ‘সাইবার ওয়ারিওর’ বনাম ‘রাজীব কি সিপাহী’ আইটি সেলও কোমর বেধে নেমে পড়েছে ময়দানে৷ তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় আধিপত্য বিস্তারে কংগ্রেসের তৎপরতা দেখে তেমন হেলদোল নেই বিজেপির৷ বিজেপির আইটি সেলের ইন-চার্জ শিবারাজ সিং দাবি জানান, তাদের হাতে ৬৫ হাজার আইটি কর্মী আছে৷ আর ‘রাজীব কি সিপাহীর’ কাছে আছে মাত্র ৪ হাজার কর্মী৷ ফারাকেই স্পষ্ট এখনও অনেক দুর যেতে হবে কংগ্রেসকে৷

----
--