অমিতাভ, দীপিকা, ইরফান অভিনীত পিকু ছবিটি নিশ্চয় অনেকেই দেখেছেন? জানেন এই ছবি কেন এত আমাদের মনে দাগ কেটে গিয়েছে? কারণ জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাকেই প্রতিফলিত করা হয়েছে এই ছবিতে, আর তা হল কোষ্ঠকাঠিন্য৷

এটা খুবই সাধারণ ব্যাপার কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ব্যথা-কষ্ট এবং অস্বস্তি৷ যাতে এই পর্যায়ে না পৌঁছতে হয় তার জন্য প্রথমেই প্রশ্ন ওঠে কত বার মলত্যাগ করা উচিত? যদিও এর কোনও সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি, কারণ ব্যক্তির ওপর তা নির্ভর করে৷ কেউ দিনে একাধিক বার যান তো কেউ সপ্তাহে কয়েকবার৷ কিন্তু দু-তিন দিন মলত্যাগ না করতে পারলে তা কোষ্ঠকাঠিন্যের রুপ নিয়ে নিতে পারে৷ বাজারচলতি ওষুধ ছাড়া কিছু ঘরোয়া উপায়ে এর থেকে আরাম পাওয়া যায় বলে অনেকের মত৷ আর সেগুলিই নিচে তুলে ধরা হল-

Advertisement

১) পাকা কলা- পেট খারাপ হলে অনেক সময়ই কাঁচাকলার তরকারি বা ঝোল খাওয়ানো হয়৷ আবার কোষ্ঠকাঠিন্যে অনেকে মলত্যাগের জন্য পাকা কলার ওপরই নির্ভর করে থাকেন৷

২) ন্যাসপাতি- কলার পাশাপাশি ন্যাসপাতিও অনেক কাজের৷ এতে ভিটামিন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে , একই সঙ্গে এই ফলের মধ্যে জল আর ফাইবারের পরিমাণ খুব বেশি যা আরাম দিতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যে৷

৩) আমন্ড- অনেকে সকালে ব্রেকফাস্টে, অনেকে আবার হাঁটতে চলতে আমন্ড খেতে ভালোবাসেন৷ জানেন কি এই আমন্ডও সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে৷ কয়েকটা আমন্ড এবং পরিমাণমতো জল আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে৷

৪) তরমুজ- গরমকাল মানেই অবধারিত বাড়িতে তরমুজের আগমন৷ এই ফলও কিন্তু কোষ্ঠাকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে |

৫) ওটস- এতে ২ ধরণের ফাইবার পাওয়া যায়৷ একটি মলের পরিমান বাড়িয়ে দেয়, অপর ফাইবারটি জলের মধ্যে মিশে গিয়ে জেল-এর মত পদার্থ তৈরি করে, যা মলের সঙ্গে নিশে গিয়ে দেহ তেকে তা সহজেই বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে৷

তবে দই, কফির মতো আরও বেশ কিছু খাবার, পানীয়ের ওপর অনেকে ভরসা করেন৷ তবে মনে রাখবেন কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়৷ সময়ে পরিমাণমতো খাবার, জলপান করলে অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পাওয়া যায়৷

----
--