মা সন্তানের বিয়ে দেখলে নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়! প্রচলিত যেসব রীতি নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন

দেশের বিভিন্ন জায়গায় আচার-অনুষ্ঠানের অনেক রীতি রয়েছে। প্রত্যেক রীতির পিছনেই কোনও না কোনও কারণ আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। তবে এমন কিছু রীতি আজও রয়েছে, যা আধনিক যুগে দাঁড়িয়ে আর মেনে নেওয়া যায় না। স্বাভাবিকভাবেই সেই রীতিগুলো নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

আজও দেশের অনেক জায়গায় বিধবাদের সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করা হয়। আনন্দ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয় না। বিয়ের মত শুভ অনুষ্ঠান থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। অশুভ বলে ধরে নিয়ে দূরত্ব বজায় রাখার প্রথা চলে আসছে। কিন্তু স্বামীর মৃত্যু মানেই কী একজন মহিলা অশুভ বা অপয়া? প্রশ্ন উঠেছে বারবার।

মাঙ্গলিক কথাটার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মহিলাদের জন্যই এই শব্দটা ব্যবহার করা হয়। অথচ পুরুষেরাও যে মাঙ্গলিক হয়, সেটা হয়ত অনেকেরই জানা নেই। বলা হয়, এমজন মহিলা মাঙ্গলিক হলে, বিয়ের পর তার স্বামীর কোনও ক্ষতি হতে পারে। আর সেই দোষ কাটাতে তাকে প্রথমে গাছ বা কুকুরের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, পরুষদের ক্ষেত্রে এমন কোনও নিয়ম নেই। মাঙ্গলিক পুরুষের দোষ কাটানোর কোনও রীতি নেই। অর্থাৎ, বিয়ের পর একজন পুরুষের জন্য তার স্ত্রী’র কোনও ক্ষতি হতে পারে, এটা ধরা হয় না। সব নিয়মই শুধুমাত্র মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

- Advertisement -

বাঙালিদের মধ্যেই রয়েছে এরকম এক আজব নিয়ম। সন্তানের বিয়ে নাকি দেখতে নেই মা’কে। ছেলে বা মেয়ের বিয়ে মা দেখলে নাকি সেখানে নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়। এমনটাই বিশ্বাস করা হয়। যে মা সন্তানকে ধারন করলেন, লালন-পালন করলেন, সেই মা কীভাবে নেগেটিভ এনার্জি ছড়াতে পারেন, সেই যুক্তি খোঁজা সত্যিই কঠিন।

ভারতের মন্দিরে রয়েছে অদ্ভুত নিয়ম। রীতির নাম ‘মাদে স্নান’। ব্রাহ্মণরা যে খাবার খেয়ে উচ্ছিষ্ট ফেলেন, সেই উচ্ছিষ্টের উপরেই গড়াগড়ি দেয় তথাকথিত নীচু জাতির সদস্যরা। পাপস্খালন করতেই নাকি এই কাজ করে তারা।

Advertisement ---
---
-----