বিজেপিতে গিয়েও ঘরে ফিরলেন তৃণমূল নেতা

শুভেন্দু ভট্টাচার্য, কোচবিহার: এভাবেও ফিরে আসা যায়..? হ্যাঁ যায়৷ আর সেটাই করে দেখালেন কোচবিহারের শচীন অধিকারী৷ ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী৷ ২০১৬ সালে বিজেপির প্রার্থী৷ বৃহস্পতিবার তিনি তৃণমূলে ফিরে এলেন৷

কয়েক দিন আগেও তিনি বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি ছিলেন৷ তবে এমন সিদ্ধান্ত কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দেশ জুড়ে বিজেপি জঘন্য নোংরা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে, এই সব ভাল লাগছেনা তাই নিজের পুরোনো দলেই ফিরে এলাম।’’

আরও পড়ুন: কথা রাখলেন কেষ্ট, মনোনয়ন কেন্দ্রে দেদার বিলি জল-বাতাসা

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি৷ এই দলবদলের ফলে সেই সময় তিনি বিজেপির তরফ থেকে পেয়ে ছিলেন, জেলা সহ-সভাপতির পদ ও বিধানসভা নির্বাচনে দাড়াবার ছাড়পত্র৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শচীনবাবু তার পুরনো দলে ফিরে আসায় বেশ বেকায়দায় পড়ল বিজেপি৷ এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

এদিন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন শচীনবাবু৷ একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি ছিলেন তিনি৷ এদিন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ১০০ জন বিজেপি কর্মী নিয়ে শচীন অধিকারি দলে ফিরতে চেয়েছিলেন, আগে রাজ্য সভাপতিকে লিখিত আবেদন করেছেন, তার পরেই তাঁকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হল।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসের হাত থেকে ‘গদা’ কেড়ে নিল বিজেপি

শচীন অধিকারr বলেন “দেশ জুড়ে বিজেপি জঘন্য নোংরা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে, এই সব ভাল লাগছে না তাই নিজের পুরোনো দলেই ফিরে এলাম।’’ শচীন অধিকারীর বিজেপি ছাড়া নিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি নিখিল রঞ্জন দে বলেন “বর্তমানে শচীন অধিকারি আমাদের দলের সঙ্গে নেই, উনি টিকিট পাওয়ার লোভে বিজেপিতে এসেছিলেন, হেরে যাওয়ার পর তাঁকে আর দেখা যায়নি।’’

Advertisement
----
-----