লখনউ: গো-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ যোগীর পুলিশ৷ গোরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে মাংস বিক্রেতাকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে৷ পুলিশের মারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মহম্মদ সালিম খুরেশি ওরফে মুন্না নামে ওই মাংস বিক্রেতা৷ ভরতি করা হয় এইমসে৷ বিষয়টি নিয়ে হইচই হতেই এক সাব ইন্সপেক্টর ও দুই কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়৷

ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ জুন উত্তরপ্রদেশের বৈরেলিতে৷ পুলিশের কাছে অভিযোগে খুরেশির পরিবার জানিয়েছেন, শ্রী পাল ও হরিশ চন্দ্র নামে দুই কনস্টেবল ১৪ জুন তাদের বাড়ি আসে৷ তারা খুরেশির খোঁজ করতে থাকে৷ গো-হত্যার অভিযোগে খুরেশিকে বাড়ি থেকে থানায় তুলে নিয়ে যায়৷ এর পর থানায় তাঁর উপর চলে অকথ্য অত্যাচার৷ মারের চোটে জ্ঞান হারায় সে৷ প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে খুরেশির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে দিল্লিতে এইমসে ভরতি করা হয়৷

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৈরেলির বারাদারি এলাকাতে খুরেশির একটি ছোট মাংসের দোকান আছে৷ পরিবারের দাবি, স্থানীয় এক ব্যবসায়ী অঞ্জুম খানের হাত রয়েছে গোটা ঘটনায়৷ খুরেশির কাছে তোলা চায় কয়েকদিন আগে৷ দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে যোগসাজস করে খুরেশির বিরুদ্ধে গো-হত্যার অভিযোগ আনে৷

এই ঘটনায় দোষী পুলিশ অফিসারদের গ্রেফতারি চেয়ে ডিজিপি ও পি সিংয়ের কাছে চিঠি লেখে খুরেশির পরিবার৷ বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন৷ বৈরেলির এসএসপি কালানিধি নৈথানি জানিয়েছেন, দুই জন কনস্টেবল ছাড়াও আলি মিয়া জাইদি নামে এক সাব ইন্সপেক্টরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে৷ ঘটনায় বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এ দিকে হাপুর জেলায় গো ব্যবসায়ী কাসিম ও তাঁর এক আত্মীয় সামিদুদ্দিনের হামলা চালায় একদল উন্মত্ত জনতা৷ তিন পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে৷ গোটা ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে ডিজিপি অফিস থেকে৷

----
--