ভিন ধর্মে বিয়ের কারণে পাসপোর্ট অফিসে হেনস্থার শিকার দম্পতি

লখনউ: এক দশকেরও বেশি সময় আগে বিয়ে হয়েছে। ছয় বছরের এক কন্যা সন্তানও রয়েছে। এতদিন পরে ভিন ধর্মে বিয়ের অপরাধে হেনস্থার শিকার হতে হল পাসপোর্ট অফিসে।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের রাজধানী শহর লখনউতে। অভিযোগকারী দম্পতির নাম মহম্মদ আনাস সিদ্দিকি এবং তানভি শেঠ। ২০০৭ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। বছর ছয়েক আগে তানভির গর্ভ থেকে জন্মেছে আনাস সিদ্দিকির কন্যা সন্তান।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার পাসপোর্টের জন্য তাঁরা আবেদন করেছিলেন। বুধবার তাঁদের পাসপোর্ট অফিসে ডাকা হয়। সেখানেই চরম হেনস্থার শিকার হতে হয় ওই দম্পতিকে। তাঁদের অভিযোগ, “ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে প্রথমেই যাবতীয় নথির সত্যতা অস্বীকার করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্তা।” ওই যুগলের বিয়ে নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন বিকাশ মিশ্র নামের ওই পাসপোর্ট অফিসার।

- Advertisement -

এখানেই শেষ হয়নি নির্যাতন পর্ব। ওই দম্পতিকে নাম বদল করে উপযুক্ত নথি নিয়ে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে বলা হয়। অভিযোগকারী দম্পতির বক্তব্য, “আমরা বিয়ের পরে কেউ ধর্ম বদল করিনি। তাহলে নাম বদলের প্রশ্ন আসছে কেন?” এরপরেই পাসপোর্ট অফিসার মহম্মদ আনাস সিদ্দিকি-কে ধর্ম বদল করে হিন্দু হওয়ার পরামর্শ দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

নয়ডার বহুজাতিক সংস্থার কর্মী মহম্মদ আনাস সিদ্দিকি এই ঘটনার বর্ণনা করে ট্যুইট করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে উদ্দেশ্য করে সেই ট্যুইট করা হয়েছে।

Advertisement ---
---
-----