ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্রীঘরে গানের মাস্টার

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: গানের ক্লাসে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব দেওয়া ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে জেল হেফাজত হল এক শিক্ষকের৷ বুধবার বর্ধমান আদালতে ওই শিক্ষক আত্মসমর্পণ করেন৷ তার পর বিচারক তাকে ৭ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠান৷

আরও পড়ুন: দিল্লির বুরারি কাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে মিলল নয়া সূত্র

যদিও প্রথমেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই শিক্ষক আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি৷ গ্রেফতারি এড়াতে সে আগাম জামিনের আবেদন করেছিল৷ সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরই বর্ধমান পকসো আদালতে ওই সঙ্গীত শিক্ষক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷

- Advertisement -

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমানের একটি নামী সঙ্গীত প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার৷ একই সঙ্গে বর্ধমান হরিসভা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের অস্থায়ী গানের শিক্ষক৷ সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের হয়৷ সেই অভিযোগে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাব দেওয়া, অশ্লীল এসএমএস পাঠানো এবং শ্লীলতাহানির বিষয়গুলি ছিল৷

আরও পড়ুন: ওলা-উবেরের ভাড়ায় রাশ টানল সরকার

ছাত্রীরা নাবালিকা হওয়ায় পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে৷ শুরু হয় তদন্ত৷ তার পরও তাকে ধরা যায়নি৷ এমনকী, আদালতে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও সে অধরা ছিল৷ অবশেষে বুধবার ধরা দিল ওই অভিযুক্ত শিক্ষক৷

তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার আদালত চত্বরে নিজেকে নির্দোষ বলেই দাবি করেছে৷ তার দাবি, তাকে ফাঁসানো হয়েছে৷ এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে৷

আরও পড়ুন: চার বছর পর হারলেন সুশীল

যদিও বর্ধমানের কলাবতী মিউজিক অ্যাকাডেমির এক ছাত্রীর অভিযোগ, মোবাইলে মেসেজ করে তাকে কুপ্রস্তাব দিত কল্যাণ৷ সম্প্রতি তাকে একা পেয়ে গানের স্কুলে তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে ওই শিক্ষক৷ বর্ধমানের হরিসভা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী কোনওমতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে৷ তার পর বাড়িতে এসে সব জানায়৷

পরিবারের তরফে প্রথমে বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়৷ লিখিত অভিযোগ জানানো হয় বর্ধমানের পুরপ্রধান স্বরূপ দত্তের কাছেও৷ এর পর পুলিশের দ্বারস্থ হয় ওই ছাত্রীর পরিবার৷

আরও পড়ুন: ১২টি রাজ্যে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

Advertisement ---
-----