কলকাতা: গো হত্যা ঘিরে সংঘর্ষের পর ঝাড়খণ্ডের পুলিশের গুলিতে জখম বেশ কয়েকজন ঝাড়খণ্ডি পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়েছেন৷ তাদের চিকিৎসা হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে৷ কেন সেই রাজ্যের পুলিশ সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালাল ? এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি ঝাড়খণ্ডের বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছেন৷

ঘটনার সূত্রপাত ইদ উল আজহা শুরুর আগে৷ ঝাড়খণ্ড সরকার সেই রাজ্যে গো হত্যা নিষিদ্ধ করেছে আগেই৷ এদিকে বকরিদের দিন গো হত্যার বিষয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়৷ পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া পাকুড়ে ছড়ায় উত্তেজনা৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কড়া ভূমিকা নিয়েছে বলে দাবি করেছে ঝাড়খণ্ড সরকার৷

Advertisement

mamataগো হত্যা রুখতে যথাসম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস৷ আর কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধর্ম যার যার৷ কারোর ধর্মীয় আচরণে আঘাত করার প্রশ্নই নেই৷ আমি অবাক হচ্ছি যে একটা রাজ্যের সরকার কী করে ধর্মাচরণে বাধা দিতে পারে৷ ঝাড়খণ্ড থেকে গুলি খেয়ে অনেকে পালিয়ে এসেছেন আমাদের রাজ্যে৷ এই তো চলছে অবস্থা৷

এদিকে পাকুড়ে গো হত্যা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছিল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। এই ঘটনায় পাকুড় জেলার নয়জনকে গ্রেফতার করা হল। এর জেরে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা লাগোয়া পাকুড় সন্ত্রস্ত। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই জানিয়েছেন পাকুড়ের ডিএসপি দিলীপকুমার ঝা। ২০১৫ সাল থেকে ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর গোহত্যা নিষিদ্ধ। ইদ-উল-আজহার আগে ১৮ তারিখ ঝাড়খণ্ড সরকার সমস্ত ডেপুটি কমিশনারদের নজর রাখতে নির্দেশ দেন, রাজ্যের কোনও জেলায় যেন গোহত্যা না হয়। এরপরই ছড়াতে থাকে উত্তেজনা।

----
--