স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: বাঁকুড়ার পর দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে শাসক দলের হাতে আক্রান্ত সিপিএম৷ শনিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বুনিয়াদপুরে এসডিও অফিসে যাচ্ছিলেন সিপিএম এর দলীয় প্রার্থী ও কর্মীরা।

সেই সময় শাসকদলের হাতে আহত হন মোজাম্মেল হক ও গজিমুদ্দিন আহমেদ সহ বেশ কয়েকজন সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা৷ তাদের অভিযোগ পুলিশের উপস্থিতিতে এই ঘটনা সংঘঠিত করা হয়েছে৷

আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশও অমান্য করার সাহস দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা

এদিন সিপিএম কর্মীরা এসডিও অফিস চত্বরে ঢোকার আগেই, সেখানে আগে থেকে দাঁড়িয়ে ছিল তৃণমূলের লোকজন৷ তাদের দেখেই পথ আটকে চুলের মুঠি ও জামার কলার ধরে রাস্তার পাশে নিয়ে যায়া৷ তারপর শুরু হয় বেধড়ক মারধর। পাশেই ঢিল ছোড়া দুরত্বে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও এগিয়ে আসেনি৷ পুলিশের সামনেই বিরোধীদের মারধরের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সিপিএমের জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য গৌতম গোস্বামী বলেন, ‘‘কর্মীরা জেলা পরিষদের আসনে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলে এসডিও অফিসের সামনেই আক্রান্ত হন। তৃণমূলের গুন্ডারা মারধর করে৷ দুজন কর্মী গুরুতর ভাবে জখম হয়েছে৷’’

আরও পড়ুন: পুলিশের সামনেই সিপিএমের মিছিলে হামলা বাঁকুড়ায়

সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতা তথা বুনিয়াদপুর পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘‘মারধরের কোনও ঘটনাই ঘটেনি৷ পূর্বপরিকল্পিত ভাবে নিজেদের মধ্যে মারধরের নাটক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর চেষ্টা করছে সিপিএম।’’

অন্যদিকে শনিবারে উত্তপ্ত হল গঙ্গারামপুর বিডিও অফিস এলাকা। এদিনও তৃণমূলের লোকেরা সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের বিডিও অফিসে ঢুকতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷ এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে সিপিএম কর্মীদের মারধরের করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক নারায়ণ বিশ্বাস বলেন, ‘‘এদিন গেজু কুজুর ও বাবু সরকার নামের দুই কর্মী মনোনয়ন সংক্রান্ত তথ্য জানতে বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন। সেখানে পৌঁছনোর আগেই টোটো থেকে দুইজনকে নামিয়ে বেধড়ক ভাবে মারধর করা হয়৷ চিৎকার করে পুলিশকে ডাকলেও কেউ তাঁদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি৷’’

আরও পড়ুন: সিউড়ি বিজেপি সদর দফতরে হামলা বহিরাগতদের

----
--