বরাত জোরে কুমিরের মুখ থেকে প্রানে বেঁচে ফিরলেন মহিলা

পাথরপ্রতিমা: বরাত জোরে কুমিরের মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন এক মহিলা মৎস্যজীবী। তবে কুমিরের কামড়ে যথেষ্ট আহত হয়েছেন কল্পনা মণ্ডল নামে ওই মৎস্যজীবী৷ গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷

রবিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের দূর্বাচটী সোলেমারি নদীতে৷ পাথরপ্রতিমা থানার দূর্বাচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কামদেবনগরের বাসিন্দা কল্পনা মণ্ডল। পেশায় তিনি মৎস্যজীবী৷

আরও পড়ুন: জয় শ্রীরাম স্লোগান ওঠা স্কুলে ঝুলল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিশ

- Advertisement -

জলেই তাঁর জীবন৷ রবিবার আরও কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে সোলেমারী নদীতে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন তিনি। আচমকাই কেউ একটা পা টেনে ধরছে মনে হয় তাঁর৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখেন বিশাল এক কুমির৷

বিপদ আরও বেশি করে জাঁকিয়ে বসার আগে নদীর পাড়ে থাকা ম্যানগ্রোভের একটি ডালকে জড়িয়ে ধরেন কল্পনা মণ্ডল। প্রাণপণে চেঁচাতে শুরু করেন তিনি৷ তাঁর চিৎকার শুনে সঙ্গীরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। হাতের কাঁকড়া ধরার লোহার শিক ও লাঠি দিয়ে কুমিরটিকে বেধড়ক মারতে থাকেন অন্যান্য মৎস্যজীবীরা।

আরও পড়ুন: মোদীকে তথ্য ধরে ধরে জবাব দিল তৃণমূল

কিছুক্ষণের মধ্যেই কল্পনাদেবীর পা ছেড়ে দিয়ে নদীতে গা ঢাকা দেয় কুমিরটি। সঙ্গীরাই তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় মাধবনগর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। এই ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আতঙ্কিত কল্পনা মণ্ডলও৷ তিনি বলেন, আর কখনও নদীতে কাঁকড়া ধরতে যাবেন না৷

Advertisement ---
-----