ছবি: প্রতীকী

নয়াদিল্লি: বর্ষার দেখা মিলতেই বেড়েছে মশার প্রাদুর্ভাব।  আর তার সাথে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ। সরকারি সূত্রে খবর, এবছর ২২শে জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ১৪০০০ হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন প্রায় ৩০ জন মানুষ। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অন্তর্গত ন্যাশানাল ভেক্টর বোরন ডিজিস কন্ট্রোল প্রোগ্রাম সূত্রে খবর, দেশজুড়ে ১৪,২৩৩ জন মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

২২  জুলাই পর্যন্ত কেরালায় ২৮৯৭ জন মানুষ ডেঙ্গির কবলে পড়েছেন। ২১ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। দেশের মধ্যে কেরালায় ডেঙ্গির প্রকোপ সবচেয়ে বেশী। মৃত্যুর কোনও খবর না পাওয়া গেলেও কর্ণাটকে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৯০৩।  ২০১৭ সালের পরিসংখ্যান ছিল আরও ভয়াবহ। দেশজুড়ে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪০১ জন মানুষ ডেঙ্গির কবলে পড়েন। মারা যান ৩২৫ জন।  সূত্রের খবর, এবছর জুলাইমাস পর্যন্ত দিল্লিতে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন।

২৭ এপ্রিল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য মন্ত্রী জে পি নাড্ডা দিল্লি সহ যেসব রাজ্যে ডেঙ্গির প্রভাব সবচেয়ে বেশী এরম ২০ টি রাজ্যের ডেঙ্গি মোকাবিলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। নাড্ডা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আরবিন্দ কেজরিবালকে চিঠি লিখে ডেঙ্গি দমন ও এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের বিষয়টির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। ডেঙ্গি প্রতিরোধে তিনি দক্ষ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কর্মী নিয়োগের কথাও বলেন।

জুলাই ও নভেম্বর মাসে এই রোগের প্রভাব সবচেয়ে বেশী লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু কখনো কখনো ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর প্রকোপ থাকে। সবমিলিয়ে যেভাবে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রকোপ তাতে বেশ চিন্তায় রয়েছে প্রশাসন।

----
--