জলের বোতলে মদ মিশিয়ে সমুদ্রে নেমে পুলিশের জালে দম্পতি

ফাইল ছবি। ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

দিঘা: দিঘায় বেড়াতে এসে নেশা না করলে যেন দিঘাতে বেড়াতে আসাটাই বৃথা বলে মনে করেন পর্যটকরা। তাই দিঘায় বেড়াতে আসা অধিকাংশ পর্যটকরা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। আর সেই নেশার কারনে ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যু। মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে পর্যটকদের জন্য কড়া নজদারি ও মদ্যপান করা অনিষিদ্ধ করা হয়। সমুদ্র সৈকতে নিষিদ্ধ মদ-মাদক। মদ্যপ অবস্থায়ও স্নানে নামাও বারণ। তাতে কি!

আইন থাকলে আইনের ফাঁকও তো থাকবে। সেই মতো পুলিশেরর চোখে ধুলো দিয়ে জলের বোতলে মদ নিয়ে স্নানে নেমেছিলেন এক পর্যটক দম্পতি। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। হাতেনাতে ধরা পড়ে যান নুলিয়াদের হাতে। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ওই দম্পতির সঙ্গে তাঁদের নাবালক ছেলে থাকায় শুধুমাত্র বকে ঝোকেই ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁদের। শুক্রবার দুপুরে ওল্ড দিঘায় ২ নম্বর ঘাটের এই ঘটনায় ফের স্পষ্ট হয়েছে পর্যটকদের হটকারিতা।

বছর চারেক আগেও দিঘা কিংবা সংলগ্ন অন্যান্য সৈকতে খোলামেলাভাবেই চলতো মদ-মাদকের কারবার। কিন্তু মদ্যপ অবস্থায় স্নানে নেমে একের পর এক তলিয়ে মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে থাকায় ২০১৬ সালে সৈকতে মদ-মাদক সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছিল জেলা পুলিশ-প্রশাসন। চাপমুক্ত হতে পুলিশও দায়িত্ব নিয়ে সৈকতে বন্ধ করে দিয়েছে নেশাভাঙের ঠেক। কিন্তু বেপরোয়া পর্য্টকরা যে একটুও সচেনতন হননি বা হচ্ছেন না তা স্পষ্ট এদিনের এই ঘটনায়। যদিও দিঘা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দম্পতিরা তাদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত ক্ষমা শিকার করেছেন। আর তাদের সঙ্গে নাবালক ছেলে থাকায় মুছলেখা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

Advertisement ---
---
-----