পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ার নির্দেশ দিল জলপাইগুড়ি প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: রাজনৈতিক দলগুলিকে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের বোর্ড গড়ার নির্দেশ দিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন৷ সময় সীমা দিয়েছে ২৪ থেকে ২৮ আগস্ট৷ ইতিমধ্যেই নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ দিতে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন।

পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ চলছে। জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত সদস্যদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু করা হবে। এই প্রশিক্ষণকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ছাড়াও মূল বিরোধী বিজেপির জয়ী প্রার্থীরাও।

আরও পড়ুন: ঈদে বিষাদের সুর পাঁশকুড়ায়

- Advertisement -

বিজেপির কয়েকজন জয়ী প্রার্থীদের কথায়, বোর্ড দখল করতে পারি নি ঠিকই। কিন্তু জয়ী হয়ে বিরোধী আসনে বসেছি। তাই প্রশিক্ষণ নিয়ে পঞ্চায়েতের সমস্ত কাজ সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। পঞ্চায়েতের বোর্ড ভুল কাজ করলে তা ধরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

জলপাইগুড়ির শাসক দলের নেতা নিতাই কর বলেন, ‘‘আমরা বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছি। তবে সদর ব্লকের বারোপাটিয়া নতুন বস গ্রামপঞ্চায়েত, পাটকাটা গ্রামপঞ্চায়েত ও অরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতে আইনি জটিলতার কারণে বোর্ড গঠন করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: প্রয়াত হলেন বাঁকুড়ার ধন্বন্তরি চিকিৎসক ডাঃ বীরেন্দ্রনাথ দে

উল্লেখ্য, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে সব এলাকা দখল করেছে তৃণমূল৷ কোর্টের নির্দেশে সেই সব এলাকাগুলিতে বোর্ড গঠন স্থগিত রাখা হয়েছে। বিজপি নেতা বাপি গোস্বামী বলেন, বোর্ড গঠনে প্রচুর তৃণমূল পঞ্চায়েত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। তৃণমূল সংঘর্ষ হবে বোর্ড গঠনের দিন। এক দল আরেক দলের কর্মীদের খুন করবে। প্রচুর তৃণমূল পঞ্চায়েত হাত ছাড়া হবে। এই কারণে প্রশাসন সঠিক নিরাপত্তা দেবে।

বামফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক সলিল আচার্য বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ভোট কী হয়েছে তা সাধারণ মানুষ দেখেছে। সুপ্রিম কোর্টের মামলা চলছে। এটা পরিষ্কার হয়েছে ওরা গণতন্ত্র মানে না। এর থেকে বেশি কিছু বলার নেই।

আরও পড়ুন: ঋদ্ধিকে ব্ল্যাকমেল কাজলের!

Advertisement
---