অ্যাম্বুলেন্সের পরিষেবা খতিয়ে দেখছে জেলা পরিবহণ দফতর

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: অত্যাধুনিক পরিষেবাযুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের বদলে সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে এক ছাত্রকে বর্ধমান থেকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছিল৷ আর তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য৷ এরপরই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অ্যাম্বুলেন্সগুলির পরিকাঠামো খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ কিন্তু তা কতদূর এগিয়েছে এবার সেটাই দেখতে ময়দানে নামল বর্ধমান জেলা পরিবহণ দফতর৷

আরও পড়ুন: কলকাতার কোন কলেজে কবে ফর্ম জেনে নিন এক ক্লিকে

মঙ্গলবার থেকেই পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন জায়গায় অ্যাম্বুলেন্সের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে৷ খোদ জেলা পরিবহণ আধিকারিক গিয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে৷ সঙ্গে বেশ কয়েকজন ইন্সপেক্টর৷ জেলা পরিবহণ আধিকারিক আবরার আলম নিজে খতিয়ে দেখেন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সগুলির পরিকাঠামো৷ একইসঙ্গে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে যে অসংখ্যা অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকা সেগুলির পরিকাঠামোতেও নজরদারি চালায় পরিবহণ দফতরের এই বিশেষ দল৷

- Advertisement -

আরও পড়ুন: আমি ধোনির কাছে হারতাম: ডিকে

অ্যাম্বুলেন্স চালকদের পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা৷ পরীক্ষা করে দেখেন কোথাও কোনও সমস্যা রয়েছে কি না৷ হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি সরকারি মাতৃযানগুলিতেও চলে নজরদারি৷ কোনও অসুবিধা রয়েছে কি না খুটিনাটি দেখেন তাঁরা৷ সূত্রের খবর, কোথাও কোনও গণ্ডগোল পাওয়া যায়নি বলেই পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় ডাক্তারদের ডিউটি রোস্টার, তোলপাড় স্বাস্থ্য দফতর

সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স, মাতৃযানগুলির বেশ কিছু দিক তাঁরা অত্যন্ত খুটিয়ে দেখেন৷ তবে এ ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি কিন্তু সামনে এসেছে৷ হাসপাতাল লাগোয়া বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্স ও মাতৃযানগুলির টায়ার, বডি, অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার ঠিকমতো ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখা হয়৷ অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিতরের পরিবেশ৷ কেন না নোংরা, অপরিষ্কার চাদর, বালিশ থাকলে তা রোগীর স্বাস্থ্যের জন্য আরও ক্ষতিকর৷

আরও পড়ুন: বাইক পোড়ানো হল তৃণমূল নেতার, অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

বিশেষ পর্যবেক্ষক দল তাই গাড়িতে রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রয়েছে কি না সেগুলিও খতিয়ে দেখেন৷ পাশাপাশি গাড়ির কাগজপত্রও পরীক্ষা করেন৷ এক্ষেত্রে বেশ কিছু ক্রুটি পর্যবেক্ষকদের চোখে পড়েছে৷ বেশ কিছু চালকেরই সঠিক ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি পরিবহণ কর্তারা দেখেন৷ দেখা যায় যাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ ক্যাব লাইসেন্স অনেকেরই নেই৷

আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয় ব্রাজিল, অধীর জার্মানি, রবীন রোনাল্ডো, ক্ষিতি মেসি …

বেশীরভাগ বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরের পরিবেশও অত্যন্ত নিম্নমানের৷ ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকা সত্ত্বেও যাত্রী বহন করা হচ্ছে অবাধেই৷ জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক আবরার আলম এদিন জানিয়েছেন, এটি একটি রুটিন ভিজিট করা হল৷ বেশ কিছু ক্রুটিও চোখে পড়েছে৷ দ্রুত সেগুলি শুধরে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলি ঠিক না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷

Advertisement ---
---
-----