‘ধর্ষণের পর জোর করে দেহ ব্যবসায় নামতে বাধ্য করা হয়’

লখনউ: মাদক দিয়ে বেঁহুশ করে ধর্ষণ এবং জোর করে দেহ ব্যবসায় নামানো৷ উত্তরপ্রদেশের ললিতপুর একটি বাড়ি থেকে কোনরকমে পালিয়ে থানায় আসার পরই দেহ ব্যবসা ও মানব পাচারের কারবার ফাঁস হয়৷  পুলিশের কাছে খোলসা করে সব জানায় ওই নির্যাতিতা৷ কীভাবে তাঁকে একটি বাড়িতে বন্দি রেখে দিনের পর দিন একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হতে বাধ্য করা হত৷

পুলিশের কাছে বয়ানে ওই নাবালিকা জানিয়েছে, এক মহিলা তাঁকে জল খেতে দিয়েছিল৷ সেই জল খেয়েই জ্ঞান হারায়৷ পরে একাধিক পুরুষকে ঘরে পাঠানো হয়৷ কাঁদতে কাঁদতে পুলিশকে জানায় ওই নির্যাতিতা৷ সে আরও জানিয়েছে, এক মাস ধরে কোতওয়ালি এলাকার একটি বাড়িতে তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল৷ একাধিক পুরুষের সঙ্গে বিছানায় শুতে বাধ্য করা হত৷ অনেক সময় তাকে মাদক দেওয়া হত৷ শরীরে সিরিঞ্জ ফুটিয়ে সেই মাদক দেওয়া হত৷

পরে সে জানতে পারে ওই মহিলা দেহ ব্যবসার কারবার করে৷ কোনও মেয়ে বিছানায় শুতে রাজি না হলে তাকে মারধর করা হত৷ এছাড়া মেয়েদের অশ্লীল অবস্থায় ভিডিও করে রাখত৷ সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হত মেয়েদের৷ অনেক মেয়েকে লক্ষ লক্ষ টাকায় বাইরে বিক্রিও করে দিয়েছে৷

- Advertisement -

ওই নাবালিকার বাবা মা নেই৷ তার ঠাকুমা জানিয়েছে কয়েকমাস আগে ললিতপুর এলাকাতেই তার বিয়ে হয়৷ বিয়ের পর মাঝেমধ্যেই ঠাকুমাকে দেখতে আসত সে৷ কিন্তু কয়েকদিন ধরে নাতনি না আসায় সন্দেহ হয় তাঁরও৷ এদিকে ওই নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে কোতয়ালির বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ৷ কিন্তু ওই মহিলা ততক্ষণে পালিয়ে যায়৷ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ ওই বাড়ি থেকে অশ্লীল ভিডিও ক্লিপে ভরতি একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ৷

Advertisement ---
---
-----