ডুমুরজলা স্পোর্টস টাউনশিপ পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গর্ব: ফিরহাদ

স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: আগামীদিনে হাওড়ার ডুমুরজলা স্পোর্টস টাউনশিপ পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গর্ব হতে চলেছে। দেশের মানুষ তো বটেই বিদেশী পর্যটকরা শহরে এলে তাঁর কাছেও এর আকর্ষণ তৈরি হবে। একে ঘিরে সকলে গর্ববোধ করবে।

তিন বছরের মধ্যে হাওড়া শহরে গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিকমানের এই ডুমুরজলা স্পোর্টস টাউনশিপ।

রবিবার বিকেলে হাওড়ার ডুমুরজলায় প্রোজেক্ট এলাকা ঘুরে যান রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এবিষয়ে পুরসভার মেয়র, কমিশনার ও মেয়র পারিষদদের সঙ্গে বিশদে আলোচনা করেন তিনি। পুরমন্ত্রী বলেন, “হিডকো অলরেডি এখানে এসেছে। আমাদের প্ল্যানিং করছে। ফান্ডিং প্যাটার্নটা কি হবে তারপর জানা যাবে কারণ এখানে কিছু বাড়িঘর করতে হবে। সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। ইনিশিয়াল প্ল্যানিংটা আজকে আমরা দেখলাম। এবং কিছু সাজেশন আজকে দিয়ে গেলাম। এখানে কি কি করতে হবে সেটা বলে গেলাম।’’

- Advertisement -

একইসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘‘এখানের রোয়িং ট্র্যা কটা আমাদের সোজা করে করতে হবে। সুইমিং পুলটাকে উন্নতমানের করতে হবে। কারণ, আগামীদিনে হাওড়া ডুমুরজলা স্পোর্টস টাউনশিপ পশ্চিমবঙ্গের গর্ব হতে চলেছে। আমরা টার্গেট রেখেছি তিন বছরের মধ্যে এই প্রকল্প করা হবে। এরমধ্যেই প্রোজেক্টের কাজ আমরা শেষ করব। আগে আমাদের প্ল্যানিং করব। এরপর ফান্ডিং প্যাটার্নটা ঠিক করে দেব। এখন আমরা স্টেট ফান্ডিং দিয়ে কাজটা শুরু করব।’’

ফিরহাদ আরও জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত নীতি হচ্ছে যে পুনর্বাসন ছাড়া কোনও উচ্ছেদ নয়। সুতরাং যারা আছে তাঁদের জন্য বাংলার বাড়ি প্রোজেক্ট আমরা করেছি। এবং এইচআইটির ফ্ল্যাট যেগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার হয়নি তাদের জন্যও একটা পুনর্বাসন প্ল্যান আমরা করছি। আমরা এখানে প্ল্যানিং এর কাজ তিনমাসের মধ্যে শেষ করে দেব। তারপর কাজে হাত দেব। এটা একটা অন্য রূপ হবে। সকলেই এটা দেখে গর্ববোধ করবে। আজকে এখানে ইনিশিয়াল প্ল্যানিং স্টেজে আমরা দেখতে এসেছি। স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরি হবে এখানে। এটা মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন।

Advertisement
-----